

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রংপুরে আলোচিত চার খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে কোনো ধরনের মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল আসামিদের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে। তার ফলাফল পাওয়া যায় সোমবার দুপুরে। এই ফলাফলে আসামিদের ইউরিনে কোন মাদকের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
উপপুলিশ কমিশনার আরও জানান, ১০ দিন পর ডোপ টেস্ট করার কারণে এমনটি হতে পারে। তবে মামলার তদন্ত কাজ চলমান থাকবে।
এর আগে রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১টার দিকে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি দল আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে। এ সময় ডিবি পুলিশের সঙ্গে রংপুর মেডিকেল কলেজের ল্যাবের একজন টেকনোলজিস্ট ও একজন সহকারী উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানায়, আসামিদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ডোপ টেস্টের নমুনা কারাগারেই সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ জন্য ডিবির পক্ষ থেকে রংপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের কাছে টেকনোলজিস্ট পাঠানোর অনুরোধ জানানো হয়। অনুমতি পাওয়ার পর মেডিকেল কলেজের সংশ্লিষ্টরা কারাগারে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও মহানগর ডিবির পরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, আদালত ডোপ টেস্টের আবেদন মঞ্জুর করার পর আসামিদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নিরাপত্তার কারণে তাদের কারাগার থেকে বাইরে নিয়ে আসা সম্ভব নয়। তাই মেডিকেল কলেজের ল্যাবের টেকনোলজিস্টদের কারাগারে নিয়ে গিয়ে নমুনা নেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে নিজ বাসা থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৫) ও ছেলে আয়ুস চক্রবর্তী প্রিয়মের (১২) মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের সবাইকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ ঘটনায় পরদিন দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তাররা হলেন- নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার কানুদাসের ছেলে মুগ্ধ দাস (২৩) ও বিনয়চন্দ্র দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাস (১৯)।


