

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চাকরির সুযোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি পাল্লা দিয়ে বেড়েছে প্রতারকচক্রের ফাঁদ।
অভিজ্ঞতা ছাড়াই আকর্ষণীয় বেতন কিংবা ঘরে বসে উপার্জনের লোভ দেখিয়ে চাকরিপ্রার্থীদের কাছ থেকে অর্থ ও ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া এখন নিত্যদিনের ঘটনা।
যুক্ত রাষ্ট্রভিত্তিক প্রভাবশালী ব্যবসায়িক সাময়িকী ফোর্বস বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে এসব ভুয়া চাকরির বিজ্ঞাপন চেনার উপায় এবং প্রতারণা থেকে বাঁচার দিকনির্দেশনা দিয়েছে।
১. অবিশ্বাস্য বেতন ও কাজের অস্পষ্টতা:
যেকোনো বৈধ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে প্রার্থীর দায়িত্ব, প্রয়োজনীয় যোগ্যতা ও কাজের ধরন স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। তবে ভুয়া বিজ্ঞাপনে কাজের সুনির্দিষ্ট বর্ণনা না দিয়ে ‘কম পরিশ্রমে বিপুল আয়’ বা ‘অভিজ্ঞতা ছাড়া মোটা অঙ্কের বেতন’-এর মতো লোভনীয় প্রস্তাব দেওয়া হয়, যা বাস্তবসম্মত নয়।
২. ওয়েবসাইট ও তথ্যের অসংগতি:
অনেক সময় আসল প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটের নামের বানানে সামান্য পরিবর্তন করে হুবহু ভুয়া ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়। তাই আবেদন করার আগে প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, ডোমেইন, লিংকডইন পেজ এবং ঠিকানা একে অপরের সঙ্গে মিলছে কি না তা ভালোভাবে পরখ করা প্রয়োজন।
৩. অপেশাদার যোগাযোগ পদ্ধতি:
কোনো প্রাতিষ্ঠানিক প্রসেস বা সাক্ষাৎকার ছাড়া কেবল হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম কিংবা ব্যক্তিগত ইমেইলের মাধ্যমে সরাসরি চাকরি পাওয়ার বার্তা পেলে সতর্ক হতে হবে। বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো সর্বদা নিজস্ব অফিশিয়াল ইমেইল ও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই প্রার্থীর সাথে যোগাযোগ করে।
৪. আবেদন না করেই অফার লেটার:
আপনি যে প্রতিষ্ঠানে কখনো আবেদনই করেননি, সেখান থেকে হঠাৎ ‘আপনি নির্বাচিত হয়েছেন’ মর্মে ইমেইল বা মেসেজ আসা প্রতারণার অন্যতম বড় লক্ষণ। পরিচিত রিক্রুটার বা প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করলেও আবেদন ছাড়া আসা অফারকে সরাসরি সন্দেহ করা উচিত।
৫. টাকা বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট দাবি:
এটি জালিয়াতির সবচেয়ে বড় সংকেত। প্রশিক্ষণ, প্রসেসিং ফি, ল্যাপটপ বা ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম কিট’ কেনার কথা বলে অর্থ দাবি করা হলে কিংবা শুরুতেই ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য চাইলে ধরে নিতে হবে এটি ভুয়া। কোনো বৈধ প্রতিষ্ঠান কখনো চাকরির বদলে টাকা নেয় না।
প্রতারণা এড়াতে করণীয়: