

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মিসওয়াককে অনেকে কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করেন। তবে গবেষকরা বলছেন, মিসওয়াকের ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি বৈজ্ঞানিক উপকারিতাও আছে বহুসংখ্যক।
বিশেষজ্ঞদের মতে—-
১.নিয়মিত মিসওয়াক করলে তা দাঁতের ওপর জমে থাকা প্লাক (Plaque) কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।
২. মিসওয়াকে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকে, যা মুখের জীবাণু কমাতে সহায়ক।
৩. নিয়মিত মিসওয়াক ব্যবহারে মাড়ির প্রদাহ (Gingivitis) ও রক্তপাতের ঝুঁকি কমায়।
৪. মিসওয়াক মুখ পরিষ্কার রাখে এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কমিয়ে শ্বাসকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে।
৫. মিসওয়াকের আঁশ দাঁতের ওপরের ময়লা ও দাগ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে।
৬. মিসওয়াক চিবানোর ফলে লালা নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়, যা মুখের স্বাভাবিক অম্লত্ব (pH) বজায় রাখতে এবং দাঁতকে ক্ষয় থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।
৭. বিশেষ করে Salvadora persica (আরাক/পিলু গাছ) থেকে তৈরি মিসওয়াকে সিলিকা, ফ্লুরাইডের স্বল্পমাত্রা, সালফার যৌগ, ট্যানিন, স্যাপোনিন ও বিভিন্ন খনিজ উপাদান পাওয়া যায়, যা মুখের স্বাস্থ্য রক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। ঐতিহ্যগত মৌখিক পরিচর্যার উপকরণ হিসেবে মিসওয়াকের ব্যবহারকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং যেখানে উপযুক্ত সেখানে এর ব্যবহারকে সমর্থন করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।
বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা যায়, সঠিক কৌশলে ব্যবহার করলে মিসওয়াক দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষায় কার্যকর হতে পারে। তবে এটি ব্যবহারের পদ্ধতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।