

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় প্রাইভেটকারে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হক সাদিকের সম্পৃক্ততা কীভাবে ঘটেছে, সে বিষয়ে আদালতে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছে ভাটারা থানা পুলিশ।
রবিবার (১৬ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলামের আদালতে ভাটারা থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. চাঁদ আলী লিখিত ব্যাখ্যা জমা দেন।
এর আগে মামলার শুনানিতে সাদিকের আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, ঘটনার সময় সাবেক এই মেজর কারাগারে থাকলে তিনি কীভাবে গাড়ি পোড়ানোর ঘটনায় জড়িত হলেন। পরে আদালত ভাটারা থানার ওসি ও তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা চান।
পুলিশের দেওয়া লিখিত বক্তব্যে বলা হয়েছে, তদন্তে সাবেক মেজর সাদিকের বিভিন্ন গোপন সভা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সঙ্গে পরবর্তী সময়ে গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনার যোগসূত্র পাওয়া গেছে। তদন্ত কর্মকর্তার দাবি, ঘটনার সঙ্গে তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সম্পৃক্ততার তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১১ নভেম্বর রাতে ভাটারা থানার বিটুমিন গেটের সামনে রাখা একটি প্রাইভেটকারে আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ২৫ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেন গাড়ির মালিক মনির হোসেন।
পরে তদন্তে সাবেক মেজর সাদিকের নাম আসে। তিনি ইতোমধ্যে ভাটারা থানার অন্য একটি সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন।
এ মামলায় তাকে সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হলে আদালতে শুনানির সময় তার কারাগারে থাকার বিষয়টি সামনে আসে। এরপরই পুলিশকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেন আদালত।
পুলিশের ব্যাখ্যা ও মামলার নথি পর্যালোচনা করে এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন আদালত।


