শুক্রবার
১৪ আগস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
১৪ আগস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বসুন্ধরায় আটক ৫২ আ. লীগ নেতাকর্মী কারাগারে, দুইজন শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে

এনপিবি প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
ছবি: এনপিবি
expand
ছবি: এনপিবি

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ১৫ আগস্টকে ঘিরে নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রেপ্তার ৫২ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। একই মামলায় গ্রেপ্তার দুই শিশুকে গাজীপুরের টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তদন্তকারী কর্মকর্তা ভাটারা থানার এসআই (নিরস্ত্র) মো. হাফিজুর রহমানের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামাল হোসেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৩ আগস্ট রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এম-ব্লকের ২৮ নম্বর সড়কের একটি ভবনের দ্বিতীয় তলার ফ্ল্যাটে অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন সেখান থেকে সরে গেলেও ৫২ জনকে আটক করা হয়।

মামলার নথিতে বলা হয়েছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে কয়েকজন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, যুব মহিলা লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পুলিশের অভিযোগ, ১৫ আগস্টকে কেন্দ্র করে তারা সেখানে সমবেত হয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচি, নাশকতা ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা করছিলেন।

অভিযানের সময় দুটি আইফোন, একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ আল্ট্রা মোবাইল ফোন এবং তিনটি ব্যানার জব্দ করা হয়েছে বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়। এসব ব্যানারের মধ্যে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল আয়োজনের উল্লেখ ছিল। কয়েকটি ব্যানারে সংগঠনের নেতাকর্মীদের ছবিও ছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের অভিযোগ, ঘটনাস্থলে থাকা ব্যক্তিরা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং রাজনৈতিক কর্মসূচির মাধ্যমে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও আতঙ্ক তৈরির পরিকল্পনা করছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে নাশকতা, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সহায়তা, ষড়যন্ত্র এবং অপরাধ সংঘটনের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে আরও বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। তদন্তের স্বার্থে তাদের আরও জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন হতে পারে এবং জামিনে মুক্তি পেলে তারা আত্মগোপনে যেতে পারেন এমন আশঙ্কার কথাও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

পরে আদালত ৫২ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। অপর দুই শিশুকে বয়স বিবেচনায় টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হয়।

এদিন আসামিদের আদালতের এজলাসে তোলা হয়নি। তাদের পক্ষে কোনো জামিন আবেদনও করা হয়নি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank