

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সফরে যাবেন না বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
কূটনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে এমন দাবি করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ট্রিবিউন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে তারেক রহমানকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত। তবে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টি সফরের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলছে বলে দাবি করা হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ আগস্ট ঢাকায় তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী।
প্রায় ৪৫ মিনিটের ওই বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও ইতিবাচক ও গঠনমূলক পথে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণের বিষয়টিও গুরুত্ব পায় বলে দাবি করেছে দ্য ট্রিবিউন।
বৈঠকের পর ভারতীয় হাইকমিশনার সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে এমন কোনো সমস্যা নেই, যা সমাধান করা সম্ভব নয়। এর আগে জুলাইয়ের শেষ দিকেও তিনি বলেছিলেন, তারেক রহমান ভারত সফর করলে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গঠনমূলকভাবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে।
দ্য ট্রিবিউনের দাবি, শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে প্রত্যর্পণ করা না হলে আগামী সেপ্টেম্বরে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে নয়াদিল্লি সফর করবেন না তারেক রহমান। একই অবস্থান সম্ভাব্য দ্বিপক্ষীয় সফরের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত ৫ আগস্ট দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়ের সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। ওই সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনার বক্তব্য এবং আগামী ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফেরার ঘোষণা নিয়ে ঢাকায় তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ঢাকা এর আগে একাধিকবার দিল্লির কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। ভারতও অনুরোধ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তবে ভারতের বক্তব্য, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া ও আইনগত দিক বিবেচনা করে পরীক্ষা করা হচ্ছে।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য না হলেও আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত সদস্য নয় এমন দেশগুলোর নেতাদের বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানাতে পারে।

