শুক্রবার
১৪ আগস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
১৪ আগস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বরাষ্ট্রে বড় চমক, এক হেভিওয়েট নিয়ে সরগরম বিএনপির অন্দরমহল

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:২২ পিএম আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৪৫ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
expand
ছবি: সংগৃহীত

মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা। আর এরই মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ঘিরে বিএনপির ভেতরে সামনে এসেছে এক হেভিওয়েট নেতার নাম। তিনি বিএনপির সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পদত্যাগের পর মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। খালি হওয়া পদ পূরণের পাশাপাশি প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল হতে পারে বলে দলীয় পর্যায়ে আলোচনা চলছে। আর সেই রদবদলের অংশ হিসেবেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নতুন মুখ আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদকে দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা রয়েছে। তিনি ওই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েও পরিবর্তন আসতে পারে।

সেখানেই আলোচনায় জোরালোভাবে উঠে এসেছে লুৎফুজ্জামান বাবরের নাম।

বিএনপির গুলশান ও নয়াপল্টন কার্যালয়ের দলীয় পর্যায়ের একাধিক সূত্রের দাবি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দায়িত্বে বাবরকে ফেরানোর বিষয়টি নিয়ে নীতিনির্ধারকদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারের সময়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাবর। ফলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম ও প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কে তার পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। এ কারণেই সম্ভাব্য রদবদলের আলোচনায় তার নাম গুরুত্ব পাচ্ছে বলে দলীয় সূত্রগুলো মনে করছে।

তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্ভাব্য নতুন মুখ হিসেবে শুধু বাবরই নন, আলোচনায় রয়েছেন বিএনপির আরেক নেতা শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানিও। বর্তমানে তিনি পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য রদবদলের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক দক্ষতা, রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক ভূমিকা বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে দলের হাইকমান্ড।

এদিকে লুৎফুজ্জামান বাবরের নাম সামনে আসায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেও ব্যাপক কৌতূহল তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে তাকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ফেরানো হতে পারে—এমন আলোচনা চলছে।

তবে দলীয়ভাবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে শেষ পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব কার হাতে যাচ্ছে, তা নিয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পর্যন্ত।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
X
City bank
City bank