

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক মন্ত্রী ডা. দীপু মনি-সহ ৯ জনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে।
রোববার (৭ জুন) সকালে তাদের কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ট্রাইব্যুনাল-১–এ আনা হয়। বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল-১–এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন নির্ধারিত ছিল।
প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত দিনে তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনের কথা থাকলেও তদন্ত কার্যক্রম এখনো চলমান থাকায় সময় বাড়ানোর আবেদন করা হতে পারে।
এর আগে গত ১৪ মে এ মামলায় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি, সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুকে গ্রেপ্তার দেখান ট্রাইব্যুনাল। এরপর ধাপে ধাপে অন্যান্য আসামিদেরও আইনি প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হয়।
মামলায় গ্রেপ্তার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, সাবেক ডিআইজি মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তর টেলিভিশনের সাংবাদিক ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবু, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।
এর আগে ৭ মে এ মামলায় দীপু মনি, ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়ে আবেদন করে প্রসিকিউশন। সে সময় ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম অভিযোগ করেন, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে অভিযানের সময় ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে দেশি-বিদেশি পর্যায়ে যে বর্ণনা প্রচার করা হয়, তার সঙ্গে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দীপু মনির সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে একাত্তর টেলিভিশনের মাধ্যমে উসকানিমূলক প্রচারের অভিযোগও তোলা হয় ফারজানা রুপা ও মোজাম্মেল বাবুর বিরুদ্ধে।
তদন্ত সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ওই ঘটনায় ঢাকাসহ চারটি জেলায় মোট ৫৮ জন নিহত হন। এর মধ্যে ঢাকায় ৩২ জন, নারায়ণগঞ্জে ২০ জন, চট্টগ্রামে ৫ জন এবং কুমিল্লায় একজনের মৃত্যুর তথ্য শনাক্ত করা হয়েছে।
