

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


তরুণ প্রজন্ম থেকে শুরু করে যেকোনো বয়সে হার্ট অ্যাটাক এখন এক নীরব ঘাতক। হার্টের রক্তনালিতে ব্লকেজ বা বাধা তৈরি হলে হার্ট অ্যাটাক হয়, যা হঠাৎ হার্ট বন্ধ হয়ে যাওয়া বা 'কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট' থেকে ভিন্ন।
বুকে প্রবল ব্যথা, বাঁ হাতে বা চোয়ালে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম এবং বমি ভাবের মতো লক্ষণ দেখা দিলে প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যে নিচের পদক্ষেপগুলো রোগীর জীবন বাঁচাতে পারে:
এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে হাসপাতাল বা অ্যাম্বুল্যান্সে ফোন করুন। চিকিৎসার দ্রুততার ওপরই রোগীর বেঁচে থাকা নির্ভর করে।
যদি রোগী জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন বা পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়, তবে অবিলম্বে সিপিআর (CPR) শুরু করতে হবে। রোগীকে কোনোভাবেই উত্তেজিত হতে দেওয়া যাবে না। সোজা বা আরামদায়ক অবস্থানে শান্ত হয়ে বসিয়ে রাখুন।
উত্তেজনা রক্তচাপ বাড়িয়ে হার্টের ওপর চাপ বাড়ায়। পরিবারের সদস্যদেরও এই সময় শান্ত থেকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
রোগীর শরীরের টাইট বা চেপে থাকা জামাকাপড় দ্রুত ঢিলে করে দিন, যাতে তিনি সহজে ও পর্যাপ্ত পরিমাণে শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারেন।
চিকিৎসকের কাছে পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত রোগীর শারীরিক অবস্থার পরিবর্তনগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করুন, যা পরবর্তী চিকিৎসায় ডাক্তারকে সাহায্য করবে।
এই জরুরি জীবনদায়ী পদ্ধতিটি সম্পর্কে আমাদের সবারই প্রাথমিক প্রশিক্ষণ থাকা উচিত।
