

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


চলতি বছরের (২০২৬) গ্লোবাল পিস ইনডেক্স অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ও সংঘাত বাড়লেও কিছু দেশ নিজেদের শান্তি ও স্থিতিশীলতা ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে। ১৬৩টি দেশের ২৩টি সূচক বিশ্লেষণ করে তৈরি এই তালিকার শীর্ষ ৫টি নিরাপদ দেশের জীবনযাত্রার চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো:
১. আইসল্যান্ড
২০০৮ সাল থেকে টানা ১৯ বছর শীর্ষস্থান ধরে রাখা এই দেশটির মানুষের কাছে শান্তি একটি সচেতন সামাজিক পছন্দ। নারী-পুরুষের সমতা, শক্তিশালী সামাজিক নিরাপত্তা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার আইসল্যান্ডকে অনন্য করেছে। এখানকার শান্ত প্রকৃতি এবং শতাধিক ভূ-তাপীয় পুল পর্যটকদের জন্য এক বড় আকর্ষণ।
২. নিউজিল্যান্ড
ভৌগোলিক বিচ্ছিন্নতার কারণে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি থেকে দূরে থাকা নিউজিল্যান্ড এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সবচেয়ে নিরাপদ দেশ। কঠোর বন্দুক আইন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের কারণে এখানে অপরাধের হার ভীষণ কম। সমুদ্র, পাহাড় আর বনের ছোঁয়ায় এখানকার জীবনযাত্রা অত্যন্ত ভারসাম্যপূর্ণ।
৩. সুইজারল্যান্ড
দীর্ঘকালীন সামরিক নিরপেক্ষতা ও গভীর সামাজিক বিশ্বাসের কারণে সুইজারল্যান্ড এবার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবনের চমৎকার ভারসাম্য এবং বহুমাত্রিক সংস্কৃতির মেলবন্ধনে গড়ে ওঠা এই দেশে মানুষের মধ্যে সততা ও নিরাপত্তা বোধ অত্যন্ত প্রবল।
৪. স্লোভেনিয়া
সামরিক খাতে কম খরচ এবং উচ্চ সামাজিক নিরাপত্তা বজায় রেখে স্লোভেনিয়া এবারই প্রথম শীর্ষ পাঁচে জায়গা করে নিয়েছে। এখানকার মানুষ ভীষণ প্রকৃতিপ্রেমী। সপ্তাহান্তে হাইকিং, সাইকেল চালানো এবং আতিথেয়তার সংস্কৃতি তাদের জীবনকে আনন্দময় করে তোলে।
৫. আয়ারল্যান্ড
আন্তর্জাতিক দ্বন্দ্বে অংশ না নেওয়া আয়ারল্যান্ড রয়েছে পঞ্চম স্থানে। আগন্তুকদের আশ্রয় ও খাবার দেওয়ার প্রাচীন আইরিশ ঐতিহ্য ‘ব্রেহন আইন’-এর প্রভাব আজও তাদের সংস্কৃতিতে স্পষ্ট। আটলান্টিকের পাড়ে বই, গান আর মনোরম প্রকৃতির মাঝে আইরিশরা এক শান্তিময় জীবন যাপন করে।
