

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভূমিকম্পের তীব্র ঝাঁকুনিতেও অনেকে যখন আতঙ্কিত, তখন একই স্থানে থেকেও কেউ কেউ টের পান না যে কী ঘটে গেল। একই সময়ে একই এলাকায় থাকার পরও এই অনুভূতির ভিন্নতার পেছনে মূলত দুইটি প্রধান কারণ কাজ করে: ব্যক্তির অবস্থান এবং শারীরিক সংবেদনশীলতা।
আপনি ভবনের কত তলায় আছেন, তার ওপর ভূমিকম্পের তীব্রতা অনুভবের বিষয়টি অনেকখানি নির্ভর করে। সাধারণত নিচতলার তুলনায় বহুতল ভবনের ওপরের দিকে ঝাঁকুনি বেশি অনুভূত হয়। ফলে ওপরের তলার বাসিন্দারা দ্রুত এটি টের পান।
ভূমিকম্পের সময় আপনার শারীরিক অবস্থা কেমন ছিল, তা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি হাঁটাচলা, রান্না করা বা দৌড়াদৌড়ির মধ্যে থাকেন, তবে তার ঝাঁকুনি বোঝার সম্ভাবনা কম থাকে। অপরদিকে, যিনি চুপচাপ টেবিলে বসে কাজ করছেন বা বিছানায় বিশ্রাম নিচ্ছেন, তিনি খুব সহজেই কম্পন ধরতে পারেন।
মানুষের ইন্দ্রিয়ের সংবেদনশীলতা এক নয়। কেউ যেমন উচ্চতা বা গতি দ্রুত টের পান, তেমনি মোশন বা গতির প্রতি যাদের সংবেদনশীলতা বেশি, তারা মৃদু কম্পনও সহজে বুঝতে পারেন। অন্যদিকে, সংবেদনশীলতা কম হলে তীব্র ঝাঁকুনিও অনেকের চোখ এড়িয়ে যেতে পারে।
পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি এবং মানুষের শারীরিক ও মানসিক একাগ্রতার পার্থক্যের কারণেই একই ভূমিকম্প একেক জনের কাছে একেক রকম মনে হয়।
