

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটে লালনসংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী ফরিদা পারভীন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুসংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই হাসপাতালের আইসিইউ করিডর ভরে যায় স্বজন, সহকর্মী ও সংবাদকর্মীদের উপস্থিতিতে।
৭১ বছর বয়সী এই শিল্পী দীর্ঘদিন ধরে কিডনি জটিলতায় ভুগছিলেন। নিয়মিত ডায়ালাইসিস চললেও গান নিয়ে তাঁর মগ্নতা থেমে যায়নি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম যিনি লালনকে নতুনভাবে চিনতে শিখিয়েছেন, তাঁর বিদায়ে সংগীতাঙ্গন শোকাহত হয়ে পড়ে।
মৃত্যুর পরপরই পরিবারের মধ্যে সমাধিস্থল নিয়ে ভিন্ন মত দেখা দেয়। স্বামী, বিশিষ্ট বংশীবাদক গাজী আবদুল হাকিম চান রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদনের পর ফরিদা পারভীনকে ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করতে। এতে সহকর্মী, ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা সহজে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন বলেও তিনি মত দেন।
অন্যদিকে, শিল্পীর দুই সন্তান এম আই নাহিল ও জিহান ফারিয়ার ইচ্ছা ছিল মাকে কুষ্টিয়ার পারিবারিক কবরস্থানে নিয়ে গিয়ে বাবা-মায়ের পাশে সমাহিত করা। তাঁদের মতে, কুষ্টিয়াই ছিল মায়ের শৈশব-কৈশোরের স্মৃতিময় ঠিকানা এবং ফরিদা পারভীনের নিজেরও ইচ্ছে ছিল মা-বাবার পাশে চিরশয্যা গ্রহণ করা।
হাসপাতালে প্রায় ঘণ্টাখানেক আলোচনা শেষে অবশেষে পরিবারের পক্ষ থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—ফরিদা পারভীনের দাফন সম্পন্ন হবে কুষ্টিয়ায়।
মন্তব্য করুন

