

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইউটিউব মানেই যার বিশাল বাজেট, অবিশ্বাস্য চমক আর রাজকীয় সব আয়োজন- সেই বিশ্বখ্যাত কনটেন্ট ক্রিয়েটর জিমির ডোনাল্ডসন (যাকে সবাই ‘মিস্টার বিস্ট’ নামে চেনে)- নিজের বিয়ের দিনটিতে বেছে নিলেন একদম বিপরীত পথ। জাঁকজমক ও আলোকের ঝকঝকানি ছেড়ে একেবারেই সাধারণ ও নিরিবিলি পরিবেশে বিয়ে করলেন তিনি।
দীর্ঘদিনের প্রেমিকা ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর থিয়া বয়সেন-এর সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন ২৮ বছর বয়সী এই তারকা।
গত মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ইনস্টাগ্রামে বিয়ের ছবি শেয়ার করে মি. বিস্ট লেখেন: “আমি মিসেস বিস্টকে খুঁজে পেয়েছি এবং এটিই ছিল আমার জীবনের সেরা দিন।”
পর্দায় কোটি কোটি ডলারের প্রজেক্ট উপহার দেওয়া মি. বিস্ট নিজের বিয়ের আয়োজনে কোনো জাঁকজমক চাননি। দুই পরিবারের সদস্য ও অতি ঘনিষ্ঠ অল্প কিছু মানুষের উপস্থিতিতে খুব ব্যক্তিগত পরিবেশে তাদের এই বিয়ে সম্পন্ন হয়।
বিয়েতে থিয়া বয়সেন পরেছিলেন আইভরি ও নুড রঙের ফুল এবং লেসের সূক্ষ্ম নকশা করা গাউন। আর মি. বিস্ট সেজেছিলেন ধবধবে সাদা টুক্সিডো জ্যাকেট, সাদা শার্ট, কালো ট্রাউজার এবং কালো বো-টাইয়ের ক্লাসিক সাজে।
জিমি ও থিয়ার প্রথম দেখা দক্ষিণ আফ্রিকায়, এক সাধারণ বন্ধুর মাধ্যমে। পরে থিয়ার লেখা বই ‘দ্য মার্কড চিলড্রেন’ পড়ার আগ্রহ জানিয়ে সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) থিয়াকে বার্তা পাঠান মি. বিস্ট। সেই সামান্য পরিচয় থেকেই একসময় গভীর প্রেমের সূচনা।
সম্পর্কের এক বছর পূর্ণ হতেই থিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন জিমি। তবে এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘হিউম্যান কগনিটিভ নিউরোসাইকোলজি’-তে থিয়ার স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করা পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বাগদান হয়।
ছবি সংগৃহীত
অনেকে ভেবেছিলেন মি. বিস্ট হয়তো সুপার বোউলের মতো বিশাল কোনো পাবলিক প্লেসে জাঁকজমকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দেবেন, কিন্তু জিমি শুরু থেকেই চেয়েছেন এই বিশেষ মুহূর্তটি যেন একান্ত ব্যক্তিগত ও ঘনিষ্ঠ থাকে।
অন্যদিকে বিয়ে প্রসঙ্গে থিয়া আগেই বলেছিলেন, মানসিকভাবে তারা বহু আগেই এক হয়ে গেছেন এবং বয়স ৭০ হলে কীভাবে সময় কাটাবেন বা নিজেদের সন্তান নিয়ে কী ভাবনা- সব আলোচনা তাদের আগেই শেষ। এই অনুষ্ঠানটি ছিল কেবল তাদের সম্পর্কের আনুষ্ঠানিক এক রূপ।