বুধবার
১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বুধবার
১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় শাবিপ্রবি ভিসি, প্রোভিসি, রেজিস্ট্রার 

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
শাবিপ্রবি উপাচার্য ও উপ উপাচার্য
expand
শাবিপ্রবি উপাচার্য ও উপ উপাচার্য

সিলেটে বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়েছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ারউদ্দীন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম ও রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসার মাঠে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায় উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও রেজিস্ট্রারকে।

বিশ্ববিদ্যালয় আইন-১৯৮৭-এ স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক বা কর্মকর্তা তার রাজনৈতিক মতামত প্রচার করতে পারবেন না এবং নিজেকে কোনো রাজনৈতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত করতে পারবেন না। তবে তা অমান্য করে বাঁশের ব্যারিকেড ডিঙিয়ে মঞ্চে বসতে দেখা যায় তাদেরকে।

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

শাকসুতে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী দেলোয়ার হাসান শিশির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, বিএনপি'র সমাবেশে যোগ দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম বৃদ্ধি করার জন্য ভিসি–প্রোভিসি স্যারকে ধন্যবাদ। স্টেইজে জায়গা না পেয়ে, বাঁশের উপর দিয়ে লাফিয়ে জনতার কাতারে দাঁড়ানোর কারণে সেই মর্যাদা আরও বেড়ে গেলো।

মুহাম্মদ আরমান নামের এক শিক্ষার্থী লিখেন, কত বড় মেরুদণ্ডহীন লোক হইলে, সিলেটের সবচেয়ে বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হয়েও মঞ্চে জায়গা পায় না। আর সেটা যদি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠান হতো, হয়তো মেনে নেওয়া যেত। আর যারা সাধারণ একজন রাজনীতিবিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জায়গা পায় না, তারা আবার হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে শাকসু দিবে। এই জনগোষ্ঠীর প্রতি কি কোনো আবেগ, সম্মান, নৈতিক দায়বোধ নেই?

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ ছলিম মোহাম্মদ আব্দুল কাদির বলেন, 'আমরা সবারই দাওয়াতেই অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করি। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতায় প্রয়োজন আছে।'

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাজেদুল করিম বলেন, ‘এর আগেও আমাকে বহু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনও আমি পড়েছি। আমরা সেখানে নির্বাচনী প্রচারণায় যাইনি। আমরা গিয়েছি শ্রোতা হিসেবে।’

এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এম সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরীর মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন