

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর বৈশ্বিক উন্মাদনাকে ঘিরে রাজধানীর প্রাইম ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে এক বর্ণিল ও প্রাণবন্ত ফ্ল্যাশমব।
প্রাইম ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত এই ব্যতিক্রমী আয়োজনে শতাধিক শিক্ষার্থীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো ক্যাম্পাস উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন প্রাইম ইউনিভার্সিটির সহকারী অধ্যাপক এবং প্রাইম ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাবের কনভেনর মোঃ তারেক হাসান। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, নিয়মিত মহড়া এবং শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে ফ্ল্যাশমবটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানটির নৃত্য পরিকল্পনা ও কোরিওগ্রাফি করেন কালচারাল ক্লাবের সদস্য সুস্মিতা বড়াই। তাঁর সৃজনশীল কোরিওগ্রাফি এবং অংশগ্রহণকারীদের আন্তরিক পরিবেশনা দর্শকদের মুগ্ধ করে।
সংগীতের তালে তালে আকস্মিকভাবে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্টি হয় আনন্দঘন পরিবেশ, যা উপস্থিত শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের জন্ম দেয়।
ফিফা বিশ্বকাপের আবহকে আরও জীবন্ত করে তুলতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দেশের ফুটবল দলের জার্সি পরিধান করেন। রঙিন এই পরিবেশনা ফুটবলের মাধ্যমে বৈশ্বিক সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব ও ঐক্যের বার্তা তুলে ধরে। উপস্থিত দর্শকদের অনেকেই মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন, যা অনুষ্ঠানটিকে আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে সহায়তা করে।
প্রাইম ইউনিভার্সিটির সহশিক্ষা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, দলগত কাজের দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সাংস্কৃতিক চর্চাকে উৎসাহিত করে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ইতিবাচক ক্যাম্পাস সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রাইম ইউনিভার্সিটি কালচারাল ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এমন ব্যতিক্রমী ও সৃজনশীল আয়োজন অব্যাহত থাকবে। শিক্ষা কার্যক্রমের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বহুমাত্রিক বিকাশে ক্লাবটি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।
সবমিলিয়ে, ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এই ফ্ল্যাশমব ছিল আনন্দ, সম্প্রীতি ও সৃজনশীলতার এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ। প্রাণবন্ত এই আয়োজন প্রাইম ইউনিভার্সিটির সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করেছে এবং অংশগ্রহণকারী ও দর্শকদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।