

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম বলেছেন, শেখ হাসিনাক ফ্যাসিবাদি হয়ে উঠতে সহায়তাকারী জনকণ্ঠ এখনও ফ্যাসিবাদিদের পক্ষে কাজ করে চলেছে। পলাতক হাসিনা এবং তার দোসরদের ইন্ধনে দেশপ্রেমিক সাংবাদিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বেআইনী সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং গণহারে ছাঁটাই ও শো-কজ দিয়ে চলেছে। এ অবস্থা চলতে থাকলে সাংবাদিকসমাজ অনতিবিলম্বে জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষকে আইন মেনে জবাবদিহিতার আওতায় আসতে বাধ্য করবে।
রবিবার (১৪ জুন) দুপুরে দৈনিক জনকণ্ঠে অবৈধ গণ-ছাঁটাই, কারণ দর্শানোর চিঠি প্রদান, হয়রানি বন্ধ এবং অনতিবিলম্বে পত্রিকা অফিস খুলে দেয়ার দাবিতে দৈনিক জনকণ্ঠ সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মচারি ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত জনকণ্ঠ ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি।
অনতিবিলম্বে ছাঁটাইকৃতদের ছাঁটাইপত্র ও শো-কজকৃতদের শো-কজপত্র প্রত্যহার, বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ, হয়রানি বন্ধ এবং পত্রিকা অফিস খুলে দেয়ার দাবি জানান দিদারুল আলম।
অনুষ্ঠানে দেয়া বক্তব্যে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন বলেন, জনকণ্ঠের কূকর্মের ইতিহাস অনেক পুরনো। আগে স্বৈরাচারী হাসিনা তাদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিতো। ভারতের টাকায় জনকণ্ঠ তাদের তাবেদারি করতো। এখনও তারা কাদের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে সাংবাদকদের ওপর নীপিড়ন চালাচ্ছে জানতে চান তিনি।
জনকণ্ঠের নির্যাতনে অনেক সাংবাদিক হার্ট অ্যাটাক করে মারা গেছেন উল্লেখ করে সালেহ আকন বলেন, সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল বাঁকা করা হবে। সাংবাদিক নেত্রীবৃন্দের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা না হলে এমন আন্দোলন গড়ে তোলা হবে যাতে ফ্যাসিবাদি জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষ পালাবার পথ খুঁজে পাবে না।
অবস্থান কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক জনকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত বার্তা সম্পাদক ও ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুনির জারিফ, বিশেষ প্রতিনিধি ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মীর মোহাম্মদ জসিম, মহাব্যাবস্থাপক মফিজুর রহমান প্রমূখ।
জনকণ্ঠের মালিকদের ফ্যাসিবাদের দোসর উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, পত্রিকাটির ওপর এখনও ভারতীয় গোয়ন্দা সংস্থা ও আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা ঘাপটি মেরে বসে আছে। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার একজন প্রিতিনিধিকে পত্রিকাটি হর্তা-কর্তা বানিয়ে তার মাধ্যমে দেশপ্রেমিক সাংবাদিক-কর্মচারীদের গণহারে ছাঁটাই করা হচ্ছে। অনতিবিলম্বে ছাঁটাই ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রতাহার এবং পত্রিকা চালু করা না হলে মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান সোহেলকে অবাঞ্ছিত ঘোষনা করে পত্রিকা অফিস ঘেরাওসহ বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষনা দেওয়া হয়।
