

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের দ্বিতীয়বারের মতো প্রকাশ্যে দানবাক্সের টাকা গণনা সম্পন্ন হয়েছে। দ্বিতীয় দফার গত ১৯ দিনে মাজারের দানবাক্স ও ডেগগুলোতে মোট ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা জমা হয়েছে। এছাড়াও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মুদ্রার পাশাপাশি ৯ গ্রাম স্বর্ণ ও ৩৯.৪ গ্রাম রুপা পাওয়া গেছে।
মাজারের ভেতরে যখন টাকা গণনা চলছিল তখন বাইরে সিলেটের সাবেক ডিসি সারওয়ার আলমের প্রশংসা করা হচ্ছিল। এর একমাত্র কারণ, শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সের টাকা প্রকাশ্যে গণনার রেওয়াজ ছিল না। গত ২১ জুন মাজারের ৭০০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দানবাক্সের টাকা প্রকাশ্যে গণনা করা হয়েছিল সে সময়ের সিলেট জেলা প্রশাসক (ডিসি) সারওয়ার আলমের নেতৃত্বে। প্রথম গণনার ১৯ দিনের ব্যবধানে আজ দ্বিতীয়বারের মতো এই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হলো।
আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাবেক ডিসি সারওয়ার আলমের ভূমিকা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
শনিবার (১১ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে দরগাহ মসজিদের বারান্দায় জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে সিলগালা করা ডেক ও নতুন দানবাক্সগুলো থেকে ৪ বস্তা টাকা বের করে গণনা শুরু হয়। এরপর মসজিদ প্রাঙ্গণে মাজার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় প্রকাশ্যে টাকা গণনার কাজ শুরু হয়।
মাজারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়ন সংক্রান্ত কমিটির গত বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত প্রথম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই গণনা কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
টাকা গণনার সময় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদীসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং মাজার আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।