

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে দেওভোগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের পুকুরে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত শিশুর লাশের পরিচয় মিলেছে।
নিহত শিশু তাহসিন হোসেন (৫) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়াগোবিন্দপুর গ্রামের মো. আলম শেখের ছেলে।
শিশু পরিচয় নিশ্চিত করে রায়গঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, অপহরণ ও হত্যার রহস্য উদঘাটনে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির সামনে খেলছিল তাহসিন। এ সময় দুষ্কৃতকারীরা তাকে অপহরণ করে। পরিবারের পক্ষ থেকে খোঁজাখুঁজির পরও কোনো সন্ধান না পেয়ে তার দাদী মোছাঃ অমা সেদিনই সলঙ্গা থানায় জিডি নং–১৭৮৩ দাখিল করেন।
আর অপহরণের চার দিন পর সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার দেওভোগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের পুকুরে স্থানীয় জেলেরা জাল ফেললে ভাসমান অবস্থায় একটি শিশুর লাশ দেখতে পান। খবর পেয়ে সলঙ্গা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত ছবির ভিত্তিতে পরিবার লাশটি তাহসিন বলে শনাক্ত করে।
এ ঘটনায় শিশুটির দাদী মোছা. নুরমহল বেওয়া (৫০) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে চারজনকে আসামি করে সিরাজগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। তিনি দাবি করেন—পূর্ব শত্রুতা ও পারিবারিক বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবেই শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নিহত তাহসিনের সৎ বাবা মুক্তার বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং তাৎক্ষণিকভাবে লাশ উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছি। ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। তদন্তের স্বার্থে প্রতিটি দিক আমরা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখছি।
মন্তব্য করুন
