

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


রাজবাড়ীর খানখানাপুর রেলক্রসিংয়ে তেলবাহী ট্রেনের বিচ্ছিন্ন বগির সঙ্গে যাত্রীবাহী বাস, মাহেন্দ্রা ও অটোরিকশার সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৬ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের খানখানাপুর রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মনোয়ার পাটোয়ারীর মৃত্যু হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আব্দুল মালেক।
জানা গেছে, ফরিদপুরের ধুলদী পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে একটি তেলবাহী ট্রেন খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ট্রেনটির ইঞ্জিন ও কয়েকটি বগি রেলক্রসিং অতিক্রম করার পর দায়িত্বপ্রাপ্ত গেটম্যান ব্যারিয়ার তুলে দেন। এর কিছুক্ষণ পর মূল ট্রেন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া কয়েকটি বগি নিয়ন্ত্রণহীনভাবে রেলক্রসিংয়ে এসে মহাসড়কে চলাচলরত একটি মাহেন্দ্রা, একটি অটোরিকশা ও একটি যাত্রীবাহী বাসকে সজোরে ধাক্কা দেয়।
সংঘর্ষে মাহেন্দ্রাটি প্রায় ১০০ গজ দূর পর্যন্ত ঠেলে নিয়ে যায় বিচ্ছিন্ন বগিগুলো। অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং বাসটিও রেললাইনের ওপর উঠে পড়ে। এতে আটজন গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ তাদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
দুর্ঘটনার পর ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরে আহলাদীপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। রেকারের সাহায্যে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ জানান, আহতদের মধ্যে মনোয়ার পাটোয়ারী হাসপাতালে নেওয়ার পথে এবং আব্দুল মালেক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ ও ট্রেনের বগি বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।