

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


মাদারীপুরের কালকিনি পৌর এলাকার মজিদবাড়ি ভূরঘাটা পূয়ালী মাদারীপুর এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতার বসত বাড়ির গাছপালা কেটে জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। কালকিনি পৌরসভার সাবেক কমিশনার হাবুল-বাবুল ও এচাহাক সরদারের বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে কালকিনি পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের ‘ভূরঘাটা মজিদ বাড়ি,পূয়ালী মাদারীপুর এলাকায়’ এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, কালকিনি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক নাজমুল চৌকিদার এর বড় ভাই, সাবেক কমিশনার হাবুল চৌকিদার, বাবুল চৌকিদার ও তার ভগ্নিপতি এচাহাক সরদার এর নেতৃত্বে গাছপালা কেটে জোরপূর্বক জমি দখল করে পুকুর পাড় দিয়ে রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মীর মামুন অর রশিদ চব্বিশের গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পরে তিনি বাড়িঘর ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যায়। মীর মামুন অর রশিদ ছিলেন কালকিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং মাদারীপুর জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান।
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় মীর মামুন অর রশিদের বাড়ির পিছনে কালকিনি পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর হাবুল চৌকিদার-ও তার বড় ভাই বাবুল চৌকিদার এবং এচাহাক সরদারের বসতবাড়ি, তাদের বসত বাড়িতে যাতায়াতের সুবিধার্থে মীর মামুনের পুকুর পাড় থেকে একটি নারকেল গাছ সহ কয়েকটি ফলজ ও বনজ গাছ কর্তণ করা হয়।
পরে সেখানে রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করেন, বাবুল চৌকিদার, হাবুল কমিশনার এবং তাদের লোকজন। খবর পেয়ে কালকিনি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রাস্তা নির্মান বন্ধ করে দেয়।
এবিষয়ে ভূক্তভূগী মীর মামুন অর রশিদ মুঠোফোনে জানান, আমি দির্ঘদিন যাবৎ বাড়িতে না থাকায়। ওরা বিএনপির প্রভাব খাটিয়ে আমার বাড়ির গাছপালা কেটে আমার বাড়ির জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণ করা শুরু করেছে। আমি প্রশাসনের কাছে এই জুলুম অত্যাচারের বিচার চাই।
অভিযোগ অস্বীকার করে বাবুল চৌকিদার বলেন, মীর মামুন যেসব কথা বলেছে তা সম্পূর্ন মিথ্যা। আমরা রাস্তা নির্মাণের জন্য একটি নারকেল গাছ কর্তণ করেছি। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেখেছে, কিছুক্ষণ পরে, এমপি মহোদয় ঘটনাস্থলে আসবেন।
এবিষয়ে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানান, বাবুল চৌকিদার ও হাবুল চৌকিদার রাস্তা নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলো খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।
তিনি বলেন, কারো ব্যক্তিগত জমির উপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করতে হলে সমঝোতার মাধ্যমে করা উচিৎ জোড়পূর্বক রাস্তা নির্মানের ফলে আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে দেওয়া হবে না।
মন্তব্য করুন