

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসকের বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি একটি গণমাধ্যমকে বলেছেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে টাকার কথা বলেছেন, সেটি উপজেলার জন্য বরাদ্দ বাজেট। ওই অর্থ কোনো ব্যক্তিকে দেওয়া হয়নি।
এর আগে শনিবার (৩০ মে) দুপুরে কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা থাকাকালে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কুমিল্লা জেলা পরিষদ থেকে ১৫ কোটি টাকা নিয়েছেন। একইভাবে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ ১০ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ওই আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। মোস্তাক মিয়া কুমিল্লা বিএনপির বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।রাজনৈতিক জীবনী বই
অভিযোগের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা মূলত উপজেলার জন্য বরাদ্দ বাজেটকে কেন্দ্র করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। তিনি বলেন, “এই টাকা আমাকে দেওয়া হয়নি। এটি কোনো ব্যক্তিকে দেওয়ার বিষয় নয়, বরং উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।”
তিনি আরও জানান, দেবীদ্বার উপজেলায় কোন খাতে কত টাকা ব্যয় হয়েছে, তার বিস্তারিত তালিকা জেলা প্রশাসনের কাছে রয়েছে। একইভাবে উপজেলা প্রশাসনের কাছেও ব্যয়ের পূর্ণ হিসাব রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন এবং তা প্রকাশের আহ্বান জানান।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, স্থানীয় উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন হলে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। “আমি আমার উপজেলার মানুষের জন্য কোথাও যদি ভিক্ষা চাইতেও হয়, সেটি করতে আমার আপত্তি নেই। কারণ, আমি নিজের জন্য নয়, মানুষের জন্য কাজ করি,” বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এটি স্থানীয় সরকার বিভাগের বিশেষ বরাদ্দ, যা এডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে জেলা পরিষদের মাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে। দেবীদ্বার উপজেলাকে এ খাতে প্রায় ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জেলা পরিষদ প্রশাসকের বক্তব্যের সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিষয়টি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যেন অর্থ ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া হয়েছে। অথচ এটি সম্পূর্ণভাবে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ এবং রাজস্ব খাতের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
