

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে যশোরে বিক্ষোভ মিছিল ও মশাল মিছিল করেছে গণঅধিকার পরিষদ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সন্ধ্যায় যশোর শহরে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এতে যশোর জেলা, পৌর ও সদর উপজেলা গণঅধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদ, শ্রমিক অধিকার পরিষদ এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, কুষ্টিয়ায় গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, কুষ্টিয়া সদরের সংসদ সদস্য আমির হামজার নির্দেশনায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে এ অভিযোগের স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, রাজনৈতিক মতপার্থক্য কোনোভাবেই হামলা, সহিংসতা বা ভয়ভীতি প্রদর্শনের কারণ হতে পারে না। গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাজনৈতিক সহাবস্থান নিশ্চিত করতে সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
তারা কুষ্টিয়ার হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং আহত নেতাকর্মীদের যথাযথ চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান। একই সঙ্গে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবের কারণে কেউ যেন আইনের ঊর্ধ্বে না থাকে, সে বিষয়েও সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
পরে নেতাকর্মীরা মশাল হাতে যশোর শহরের বিভিন্ন সড়কে মিছিল করেন। এ সময় হামলার প্রতিবাদ, জড়িতদের গ্রেপ্তার এবং রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
মিছিলে নেতৃত্ব দেন গণঅধিকার পরিষদ যশোর পৌর শাখার প্রধান সমন্বয়ক এইচ এম আহসান বিপ্লব, সদর উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক শহিদুল ইসলাম রুবেল, বাংলাদেশ শ্রমিক অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জেএম রাজু, যশোর জেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির মুরাদ, সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক হোসেন ও সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদুর রহমান সানি।
বিক্ষোভ থেকে পাঁচ দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে কুষ্টিয়ার হামলার নিরপেক্ষ তদন্ত, জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, আহতদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, রাজনৈতিক সহিংসতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সব রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নিরাপত্তা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা।
কর্মসূচি শেষে যশোর জেলা গণঅধিকার পরিষয় ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা এসব দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।


