

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কয়েক ম্যাচ ধরে লামিন ইয়ামালের পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। ছন্দে ফেরার অপেক্ষায় থাকা এই তরুণ তারকাকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল কিছুটা সংশয়ও। তবে রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে সেই সংশয়ের জবাব মাঠেই দিলেন ইয়ামাল। তার জোড়া গোলের সঙ্গে রাফিনিয়ার দুই গোল মিলিয়ে বার্সেলোনা পেল ৫-২ ব্যবধানের বড় জয়।
জয়ের পথে অবশ্য শুরুটা ভালো ছিল না বার্সার। নিজেদের মাঠে ম্যাচের ১২ মিনিটেই পিছিয়ে পড়ে হান্সি ফ্লিকের দল। আলভারো গার্সিয়ার পাস থেকে গোল করে রায়োকে এগিয়ে দেন সার্জিও কামেলো। চলতি মৌসুমে এই প্রথম গোল হজম করল বার্সেলোনা।
পিছিয়ে পড়ার পর অবশ্য দ্রুত ম্যাচে ফেরে স্বাগতিকেরা। ১৯ মিনিটে বক্সে ঢুকে নিচু শটে রায়োর গোলরক্ষক দানি কারদেনাসকে পরাস্ত করেন রাফিনিয়া। দুই মিনিট পরই ব্যবধান উল্টে দেন ইয়ামাল। বক্সের ভেতর থেকে তার উঁচু শট জালে জড়ালে ২-১ লিড নেয় বার্সা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আসে বার্সার তৃতীয় গোল। তবে সেটি ইয়ামাল বা রাফিনিয়ার পা থেকে নয়—রায়োর লেজেউনের আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান বাড়ে। কিছুক্ষণ পর জুলেস কুন্দের একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিলও হয়।
তবে ম্যাচ তখনো পুরোপুরি বার্সার নিয়ন্ত্রণে ছিল না। রায়ো হাল ছাড়েনি। উনাই লোপেজের কর্নার থেকে আবারও গোল করেন কামেলো। তাঁর দ্বিতীয় গোলের পর স্কোর দাঁড়ায় ৩-২।
রায়োর আক্রমণে বার্সার জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিলেন ইংলিশ ফরোয়ার্ড অ্যান্থনি গর্ডন। একাধিক সুযোগ পেলেও সেগুলো কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। একটি সুযোগ ফার্মিন লোপেজের বাধায় আটকে যায়।
এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ়ভাবে নিজেদের হাতে নেয় বার্সা। ফার্মিনের ব্যাকহিল থেকে বল পেয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন রাফিনিয়া। ৪-২ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে জয়টা তখন অনেকটাই নিশ্চিত করে ফেলে স্বাগতিকেরা।
শেষ বাঁশি বাজার আগে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন ইয়ামালও। এতে ৫-২ ব্যবধানের বড় জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে কাতালানরা। তিন ম্যাচে তিন জয়ে ৯ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগার শীর্ষস্থানও ফিরে পেয়েছে বার্সেলোনা।


