

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


সরকার নতুন করে দাম নির্ধারণ করলেও যশোরের বাজারে তীব্র সংকটে পড়েছে জ্বালানি গ্যাসের সিলিন্ডার। চাহিদার তুলনায় মাত্র এক-পঞ্চমাংশ সরবরাহ থাকায় খুচরা বাজারে সিলিন্ডারপ্রতি ৩শ’ থেকে ৪শ’ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত আদায় করছেন ব্যবসায়ীরা এমন অভিযোগ ভোক্তাদের। তবুও প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
সরকার সর্বশেষ গত ৪ জানুয়ারি ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১৩০৬ টাকা নির্ধারণ করে। এর আগে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে ধাপে ধাপে বাড়ানো হয় দাম। মাত্র তিন মাসে সিলিন্ডারপ্রতি দাম বেড়েছে ৯১ টাকা। কিন্তু বাস্তবে যশোরের বাজারে এই দামের কোনো প্রতিফলন নেই।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বসুন্ধরা, যমুনা, বেক্সিমকো, ওমেরা ও বিএম’র মতো নামিদামি কোম্পানির ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে গ্রাহককে গুনতে হচ্ছে ১৬শ’ থেকে ১৭শ’ টাকা। নামবিহীন কোম্পানির সিলিন্ডারের দামও ১৫শ’ থেকে ১৬শ’ টাকার নিচে মিলছে না।
ভুক্তভোগী ক্রেতা ফারুখ আহম্মেদ বলেন, রান্নার বিকল্প নেই বলে বাধ্য হয়ে সাড়ে ৪শ’ টাকা বেশি দিয়ে গ্যাস কিনতে হয়েছে। একই অভিযোগ করেন দেবনাথ ও আইয়ুব হোসেনসহ একাধিক ক্রেতা।
তারা বলেন, প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম হাঁকছেন।
অন্যদিকে খুচরা বিক্রেতারাও সংকটে থাকার কথা জানিয়েছেন। বিক্রেতারা জানান, ডিলার পর্যায় থেকেই সরবরাহ কমে গেছে। অধিক দামে কিনে কম দামে বিক্রির সুযোগ না থাকায় ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত বাকবিতণ্ডায় জড়াতে হচ্ছে তাদের।
যশোর এলপিজি গ্যাস বিক্রেতা ও পরিবেশক সমিতির দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, জেলায় মাসিক চাহিদা প্রায় ৫০ হাজার সিলিন্ডার হলেও সর্বোচ্চ ১০ হাজার সিলিন্ডার সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বাজার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি বলেন, সমস্যার মূল উৎস কোম্পানিগুলো। প্রশাসন যদি সেখানে নজর না দেয়, তাহলে অভিযান চালিয়েও কোনো সুফল আসবে না।
মন্তব্য করুন
