

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পবিত্র ঈদুল ফিতর ২০২৬ (১৪৪৭ হিজরি) উদযাপন উপলক্ষে হবিগঞ্জে কেন্দ্রীয় ঈদগাহে দুই দফায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে কেন্দ্রীয় ঈদগাহ পরিচালনা সংক্রান্ত এডহক কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
গত ৪ মার্চ সকাল ১১টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও কমিটির সভাপতি আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীন। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় জানানো হয়, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জেলার প্রধান ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন হবিগঞ্জ কোর্ট জামে মসজিদের খতিব মোস্তাফিজুর রহমান এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন গাউছিয়া জামে মসজিদের খতিব মুফতি আশরাফুল ওয়াদুদ। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় কোর্ট জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।
সভায় ঈদগাহ মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। মাঠ সমতলকরণ, ঘাস কর্তন, আবর্জনা পরিষ্কার, নামাজের লাইন নির্ধারণ, রং ও ধৌতকরণসহ প্রয়োজনীয় কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত মাইক ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে জেনারেটর প্রস্তুত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মুসল্লিদের জন্য বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, পর্যাপ্ত সংখ্যক স্কাউট ও রোভার নিয়োগ এবং হাদিয়া সংগ্রহের মাধ্যমে ইমামদের সম্মানি ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের বিষয়েও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অবশিষ্ট অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।
ঈদের দিন সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। ঈদগাহে আগত মুসল্লিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত, যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার, প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং শহরে চুরি-ছিনতাই প্রতিরোধে বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মুসল্লিদের গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য জে কে অ্যান্ড এইচ কে হাই স্কুল মাঠ নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বাইপাস সড়ক ও শায়েস্তানগর ট্রাফিক পয়েন্ট পর্যন্ত যানবাহন সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ঈদের দিন ঈদগাহ মাঠে বিশেষ মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা, আগের দিন মাঠে পানি ছিটানো এবং বৃষ্টি হলে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ফায়ার সার্ভিসকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া হাসপাতাল, কারাগার ও শিশু সদনে উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঈদের জামাত চলাকালে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
মন্তব্য করুন