

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঈদ উপলক্ষে শিল্পনগরী গাজীপুরের সব কারখানা দ্বিতীয় ধাপে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে ঘরমুখী মানুষের চাপ সৃষ্টি হয়েছে ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা- ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে।
যাত্রীদের চাপে দুপুরের দিকে দুই মহাসড়কেই যানজটের আশঙ্কা রয়েছে। এছড়া বৈরি আবহাওয়ায় ঈদযাত্রার ভোগান্তি বেড়েছে আরও কয়েকগুণ।
মঙ্গলবার (২৬ মে) সকাল থেকে জেলার কোনাবাড়ী, চৌরাস্তা, টঙ্গী, রাজেন্দ্রপুর, গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ী, কালিয়াকৈর মাওনা এলাকার সব শিল্প কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
এসব এলাকার লাখ লাখ কর্মজীবী মানুষ ইতোমধ্যে নাড়ির টানে আপন গন্তব্যে যাত্রা শুরু করেছে। তবে দুপুর নাগাদ যাত্রী ও যানবাহণের চাপ দ্বিগুণ হবে বলে জানিয়েছে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
এর আগে, গতকাল সোমবার গাজীপুরের ৪০ ভাগ শিল্প কারখানা ছুটি ঘোষণা করায় রাতভর উত্তরাঞ্চলের ২৬ জেলার ঘরমুখী মানুষের তীব্র চাপ ছিল সড়কে। নানা ভোগান্তি নিয়ে কয়েক লাখ মানুষ গতকাল সন্ধ্যা থেকে ভোর রাত পর্যন্ত গাজীপুর ছেড়ে গেছেন।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রীমোড় এলাকায় সকাল থেকে যাত্রীদের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিবার পরিজন নিয়ে নতুন পোশাক আর চোখে উচ্ছ্বাস নিয়ে অপেক্ষা করছে বাসের জন্য।
একই চিত্র দেখা গেছে ঢাকা-ময়মনসিংহ সড়কের ভোগড়া বাইপাস, টঙ্গী বোর্ডবাজার ও গাজীপুর চৌরাস্তা এলাকায়। তবে যাত্রীদের অভিযোগ সড়কের জটিলতা আর আবহাওয়ার অজুহাতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছেন পরিবহন চালকরা।
এতে অনেকেই সমস্যায় পড়ছে। অনেকেই ভাড়া বাঁচাতে অনেকেই ট্রাক পিকআপে উঠে গন্তব্যে যাচ্ছেন।