

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির প্রভাবশালী সদস্য, সাবেক মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু সরকার গঠনের নির্বাচন হবে না। এটি বিশ্বস্বীকৃত ও প্রশংসনীয় একটি নির্বাচন হবে।
এটি হবে বাংলাদেশের গণতন্ত্রে উত্তরণের সূচনাকারী নির্বাচন। বাংলাদেশ আজ গণতন্ত্রের ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। তাই ভোটাররা এবারের নির্বাচনে নিজেরাই নিজেদের ভোটের পাহারাদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) কক্সবাজার-১ (চকরিয়া–পেকুয়া) নির্বাচনী এলাকার চকরিয়ার কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ইসলামনগর সৈয়দ হোসাইন চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত মহিলা সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা বাংলাদেশের অস্তিত্বে বিশ্বাস করতেন না। তাই যারা এখনও আওয়ামী লীগ করেন, তাদের কাছে জানতে ইচ্ছে করে- তাদের নেত্রীসহ দলবল বিদেশে পালিয়ে যাওয়ার পরও কোন কারণে তারা সে দল করেন?
দেশের মানুষের প্রত্যাশা ও শহীদদের স্বপ্ন অনুযায়ী বাংলাদেশ গড়ে উঠবে। এ দেশে নারীর প্রতিনিধিত্ব থাকবে উল্লেখযোগ্য হারে।
অন্য কোনো প্রতীকে ভোট দিলে ‘তরতরিয়ে বেহেশতে যাবেন’—এ ধরনের প্রচারণায় বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার হবে গণতান্ত্রিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির সনদ।
সেই ইশতেহার বাস্তবায়নের মাধ্যমেই এ দেশের গণমানুষের মুক্তির পথ সুগম হবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণ তাদের মৌলিক অধিকার ফিরে পাবে। আমরা সবাই বাংলাদেশি- এ দেশে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই নাগরিক।
মৌলিক অধিকার সবার, নাগরিক অধিকার সবার। এ দেশে কোনো সংখ্যালঘু ভেদাভেদ থাকবে না। আমরা সবাই মিলে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলব, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় এলে এ দেশের প্রতিটি হাতকে কর্মক্ষম করে তুলবে। আমি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনাদের ভালোবাসায় থাকতে চাই। আমি আপনাদের পরীক্ষিত বন্ধু- নতুন করে পরীক্ষা দেওয়ার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। তাই আপনারা আমার পক্ষে চকরিয়া–পেকুয়ার ঘরে ঘরে ধানের শীষে ভোট চাইবেন।
শনিবার সকাল ১১টায় নির্বাচনী এলাকায় পঞ্চম দিনের মতো গণসংযোগ শুরু করেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ।
দিনব্যাপী কর্মসূচিতে তিনি চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী, কাকারা, লক্ষ্যারচর ও বরইতলী ইউনিয়নে গণসংযোগ করেন এবং একাধিক পথসভায় বক্তব্য রাখেন।
প্রতিটি সভায় তাকে একনজর দেখার জন্য উৎসুক জনতার উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। মানুষ ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে পথসভাগুলোতে অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাবেক সাংসদ ও তাঁর সহধর্মিণী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদ; কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট শামীম আরা স্বপ্না; চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক; সাধারণ সম্পাদক এম. মোবারক আলীসহ আরও অনেকে।
মন্তব্য করুন
