

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে জোড়া খুনের ঘটনার বিচার ও জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বক্সগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে নিহত ছালেহ আহাম্মদ মেম্বারের ছেলে মামুনসহ মো. ইলিয়াছ, জিয়াউর রহমান, মাহবুবুল হক, নিহত আনোয়ার হোসেন নয়নের ছেলে ফয়সাল আহমেদ জয়, মহিবুল্লাহ মেম্বার ও কামরুল হাসান বক্তব্য রাখেন।
এতে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আলা উদ্দিন মেম্বার ও ছালেহ আহাম্মদ মেম্বার গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল।
এরই জেরে বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের আলীয়ারা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য ছালেহ আহাম্মদ ও প্রবাসী আনোয়ার হোসেন নয়নকে গুলি ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। তারা অভিযোগ করেন, এ ঘটনায় আলা উদ্দিন মেম্বার গোষ্ঠীর কয়েক শ মানুষ জড়িত ছিল।
বক্তারা দ্রুত হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার এবং জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বেলায়েত হোসেন, আলা উদ্দিন, মাস্টার কামরুল, মকলেছুর রহমান খান, ইয়াকুব নবী, এবায়েদুল হক, জাকির হোসেন, শেখ ফরিদ, ইয়াছিন, আজিম, বেলাল, ফারুক, রুবেল, মানিক, শেখ আহম্মেদ, সাবউদ্দিন, জাকির হোসেন, মনকিরের নেছা, হনুফা বেগম, গোল বাহার, ফরিদা বেগম, লিজা, বানু, রিনা আক্তার, রাহেনা বেগম ও মায়া বেগম সহ শত শত মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জানুয়ারি গোষ্ঠীগত বিরোধের জেরে সংঘর্ষে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি ও হামলার ঘটনা ঘটে।
এতে ছালেহ আহাম্মদ মেম্বার (৬৭) ও আনোয়ার হোসেন নয়ন (৪০) নিহত হন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
এর আগে গত বছরের ৩ আগস্ট একই বিরোধের জেরে আলা উদ্দিন মেম্বার নিহত হন। ওই ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বাড়ে এবং প্রায় ৬০ থেকে ৭০ পরিবারের মানুষ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন।
পাঁচ মাস পর গত ৯ জানুয়ারি ছালেহ আহাম্মদ মেম্বার গোষ্ঠীর কিছু মানুষ বাড়িতে ফেরেন। এরপর থেকেই হুমকি ও উত্তেজনার মধ্যে গত ১৬ জানুয়ারির সহিংসতার ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ওসি তদন্ত মো. শাহজালাল জানান, এ ঘটনায় ৪ জান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার মধ্যে দুই জনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
কয়েকদিনের মধ্যে রিমান্ডে আনা হবে। সেই সঙ্গে এ মামলার তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
মন্তব্য করুন
