

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক এবং কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, পাঁচশত কিংবা ১ হাজার টাকার বিনিময়ে একদিন ভালো থাকবেন না কি পাঁচ বছর দেশের মালিক হবেন—এই সিদ্ধান্ত আপনাদের। আমরা খেলা চেইজ করবো না, আমরা খেলা পাল্টে দেব।
বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নবীনগর সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ গণসংযোগ কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি। এসময় তিনি বলেন, ‘দেশের রাজনীতিকে দুর্নীতি, লুটপাট ও ক্ষমতার অপব্যবহার থেকে মুক্ত করতে হলে সৎ, যোগ্য ও আদর্শবান নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। ভোটের অধিকার জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে হলে সঠিক প্রার্থীকে নির্বাচিত করতে হবে।’
প্রশাসনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন, তাহলে আবারও ৫ আগস্টের মতো আন্দোলন নেমে আসবে।’
একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করে বলেন, কিছু গণমাধ্যম একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষে কাজ করছে এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতমূলক ভূমিকা পালন করছে। আগামী নির্বাচনে নিরপেক্ষ না হলে জনগণ প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের ‘লাল কার্ড’ দেখাবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নবীনগরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উন্নয়নের নামে বৈষম্য ও অনিয়ম চলেছে। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হলে সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।
তিনি জামায়াতে ইসলামী জোটের প্রার্থী মুফতি আমজাদ হোসেন আশরাফিকে একজন সৎ ও জনগণের কণ্ঠস্বর হিসেবে উল্লেখ করে তাঁকে বিজয়ী করতে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান।
এসময় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আমীর মাওলানা মো. মোবারক হোসাইন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সুপ্রিম কোর্ট শাখার এক্সিকিউটিভ মেম্বার এডভোকেট আব্দুল বাতেন।
গণসংযোগ কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নবীনগর উপজেলা শাখার আমীর মোখলেছুর রহমান। এছাড়া আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা এমদাদুল হক সিরাজী, মাওলানা মাইনুল ইসলাম খান্দকার, মাওলানা তাজুল ইসলাম, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জিহান, এ বি এম কবির আলম মাসুদ এবং মো. আমিনুল হক চৌধুরী।
গণসংযোগ কর্মসূচিতে নবীনগর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ছাত্র-জনতা, জুলাই আন্দোলনের শহীদদের অভিভাবক, আলেম-উলামা ও সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
মন্তব্য করুন