

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতির ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (২২ অক্টোবর) বিকেল তিনটার দিকে উপজেলার পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট ও লালদিঘির মাঝামাঝি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তির নাম রোমান (২২)। তিনি পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলা পূর্ব শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি বলে জানা গেছে।
রোমান জানান, কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাকে ডেকে নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি শুরু করে এবং পরে শারীরিকভাবে আক্রমণ করে। “তারা তাকে বুক ও পায়ে আঘাত করে ফেলে রেখে যায়,” বলেন তিনি।
ঘটনার পর স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
উপজেলা শিবির সভাপতি মইন বিন সাইফুল্লাহ বলেন, “ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হতে পারে। আমরা আহত নেতার চিকিৎসার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”
বোরহানউদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামী আমির বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় রাজনৈতিক সহাবস্থান বজায় ছিল। কারা এই হামলা চালিয়েছে তা পরিষ্কার নয়। প্রশাসনের কাছে আমরা দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের গ্রেপ্তারের আহ্বান জানাই।”
ইসলামী ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, “এই হামলা শুধু একজন সংগঠকের ওপর নয়, এটি শান্তিপ্রিয় শিক্ষার্থীদের ওপর আঘাত। দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।”
ভোলা-২ আসনের দুই রাজনৈতিক প্রার্থী—জামায়াতের অধ্যাপক মুফতি ফজলুল করীম ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুফতি ইমাম মো. রেযাউল কারীম বুরহানী—দুজনেই পৃথক বিবৃতিতে ঘটনার নিন্দা জানান এবং অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
বোরহানউদ্দিন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “ঘটনার বিষয়ে আমরা অবগত হয়েছি। ডিউটি অফিসারকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
মন্তব্য করুন
