

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির যোদ্ধা এবং ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদীর মৃত্যুতে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে ভোলার সাধারণ মানুষ।
গতকাল ১৯ (ডিসেম্বর) শুক্রবার বাদ জুমা ভোলার হাটখোলা চত্বরে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
উল্লেখ্য, গত শুক্রবার ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র এমপি পদপ্রার্থী শরিফ ওসমান হাদীকে হত্যার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা গুলি চালায়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উন্নত ঢাকা মেডিকেল ভর্তি করা হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে এক সপ্তাহ মৃত্যুর সাথে লড়াই করে গতকাল তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার এই মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে সারাদেশে শোকের ছায়া নেমে আসে এবং সাধারণ জনগণ তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেয়।
ভোলার সাধারণ জনগণের ডাকে আয়োজিত এই মিছিলে কয়েক শত মানুষ অংশ নেন। মিছিলটি শহরের কালিনাথ বাজার থেকে শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন বাজার এলাকায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা হাদীর হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্লোগান দেন।
বিক্ষোভ সমাবেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন: ভোলা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলহাজ্ব রাইসুল আলম বলেন, "দুর্বৃত্তরা শুধু ওসমান হাদীকে গুলি করেনি, বরং তারা জুলাই বিপ্লবের প্রতিটি সহযোদ্ধার বুকে গুলি চালিয়েছে। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ভোলা উত্তরের সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম বলেন, শহীদ ওসমান হাদী আমাদের পথ দেখিয়ে গেছেন। তার অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করাই এখন আমাদের লক্ষ্য।
এনসিপি নেতা শরীফ হাওলাদার, তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, হাদী ভাই আমাদের শিখিয়ে গেছেন—জীবন দেব, কিন্তু জুলাইয়ের চেতনা দেব না। দ্বিতীয় জুলাইয়ের জন্য আমরা প্রস্তুত আছি।
মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন ভোলা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন আহ্বায়ক, আলহাজ্ব শফিউর রহমান কিরণ। জমিয়তুল মোদার্রেছীন ভোলা জেলার সভাপতি ও ভোলা দারুল হাদিস কামিল মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল, আলহাজ্ব মোশারুল হক নাঈম। জেলা বিএনপির সদস্য জনাব ইয়ারুল আলম লিটন। এনসিপি নেতা মীর মোশাররফ হোসেন ওমি। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের নেতা মোহাম্মদ রাহিম ইসলাম সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
মন্তব্য করুন
