

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বরগুনার তালতলী উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া ১৪টি ব্রিজ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ হলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর উন্নয়ন কাজ শুরু হয়নি। প্রতিদিন এসব ব্রিজ দিয়ে শত শত মানুষ ও যানবাহন চলাচল করায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা আরও বেড়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, তালতলী মাছ বাজার ব্রিজ, শানুর বাজার ব্রিজসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে রয়েছে। কোথাও কোথাও স্থানীয়দের উদ্যোগে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে অস্থায়ীভাবে বিকল্প সেতু তৈরি করে চলাচল চালু রাখা হয়েছে। এতে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রোগী, কৃষক, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত চরম ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ব্রিজগুলোর অবস্থা আগের চেয়ে আরও খারাপ হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে যেকোনো সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে দ্রুত সংস্কার বা নতুন নির্মাণের কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
তালতলী এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, বড় বগী, ছোট বগী, শারিকখালী, কড়ইবাড়িয়া, পচাকোড়ালিয়া, নিশানবাড়িয়া ও সোনাকাটা ইউনিয়নে দুইটি করে মোট ১৪টি ব্রিজ এখনো ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
ঝুঁকিপূর্ণ এসব ব্রিজের মধ্যে রয়েছে, তালতলী মাছ বাজার, খোট্টার চর সংযোগ ব্রিজ, হরিনবাড়িয়া, শানুর বাজার ও বেহালা খাল সংযোগ ব্রিজ, তালতলী সরকারি কলেজ সংলগ্ন ও ছাতনপাড়া খালের ব্রিজ, সওদাগরপাড়া ও কবিরাজপাড়া খালের সংযোগ ব্রিজ, কচুপাত্রা হুলাটানা সংযোগ ব্রিজ, পচাকোরালিয়া বাজার, চরকগাছিয়া সংযোগ ব্রিজ এবং চেয়ারম্যানবাড়ি কচুপাত্রা কমপ্লেক্স সংযোগ ব্রিজ।
বিশেষ করে তালতলী মাছ বাজার ব্রিজটি উপজেলার সঙ্গে নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের খোট্টার চর এলাকার একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ মাধ্যম হওয়ায় এর বিকল্প না থাকায় দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি।
এদিকে দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। তারা জরুরি ভিত্তিতে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজগুলো ভেঙে নতুন করে নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে তালতলী এলজিইডির প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ১৪টি ব্রিজ নতুন করে নির্মাণের জন্য প্রস্তাবনা আগেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। অনুমোদন ও বরাদ্দ পেলে কাজ শুরু করা হবে।
মন্তব্য করুন
