

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


বরিশালের আলোচিত-সমালোচিত জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট খায়রুল আলম সুমনকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তার স্থলে নিযুক্ত করা হয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে।
বুধবার (০১ জুলাই) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ-সংক্রান্ত পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে মাঠ প্রশাসন শাখা-২ এর সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন ও ঊর্ধ্বতন নিয়োগ-২ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু দুটি প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।
এর মধ্যে সিনিয়র সহকারী সচিব তেজী প্রু স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বরিশালের জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনকে জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদ থেকে প্রত্যাহারপূর্বক পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হলো।
অন্যদিকে, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. ইসমাইল হোসেন স্বাক্ষরিত অন্য প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. মামুন খন্দকারকে বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে বদলি বা পদায়ন করা হলো।
এর আগে, ২০২৫ সালের নভেম্বরে বরিশালের জেলা প্রশাসক হিসেবে নিযুক্ত করা হয় উপসচিব খায়রুল আলম সুমনকে। দায়িত্বকালীন সময় তার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে।
বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাচনকালীন ভাতার টাকা এবং অতিরিক্ত কেন্দ্র দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠে।
এসব অনিয়ম প্রকাশ পাওয়ার পর নিজের অধিনস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের গণবদলি করেন জেলা প্রশাসক। এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মুখে পড়তে হয় খায়রুল আলম সুমনকে। এমনকি ওই ঘটনার পর থেকে গণমাধ্যমকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন বিদায়ী জেলা প্রশাসক।

