

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


হবিগঞ্জ জেলার ১০৩ কিলোমিটার সীমান্তজুড়ে সম্ভাব্য পুশ-ইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়ন। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে বিজিবির পাশাপাশি জেলা প্রশাসন, পুলিশ, আনসার-ভিডিপি, গ্রাম পুলিশ, স্থানীয় কৃষক, চা শ্রমিক ও সাধারণ জনগণকে নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে সমন্বিত নিরাপত্তা বলয়।
সোমবার (২৯ জুন) সন্ধ্যায় বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশ-ইনের অপচেষ্টা বৃদ্ধি পাওয়ায় ৫৫ বিজিবির অধীন ১৬টি সীমান্ত ফাঁড়িতে (বিওপি) ২৪ ঘণ্টাব্যাপী টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সীমান্তবর্তী এলাকায় উঠান বৈঠক, মাইকিং এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে স্থানীয় জনগণকে সীমান্ত নিরাপত্তায় সম্পৃক্ত করা হচ্ছে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় চা শ্রমিক, কৃষক, শ্রমজীবী মানুষ, গ্রাম পুলিশ ও আনসার-ভিডিপি সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন এবং সন্দেহজনক যেকোনো তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানাচ্ছেন। তাদের সহযোগিতায় এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে কোনো পুশ-ইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশ ঘটেনি।
বিজিবির তথ্যমতে, গত ২৭ ও ২৮ জুন রাতে মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া এবং চুনারুঘাট উপজেলার গুইবিল সীমান্ত এলাকায় বিএসএফের একাধিক পুশ-ইনের চেষ্টা বিজিবির টহল দল দ্রুত প্রতিহত করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ায় এসব অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।
৫৫ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, “সীমান্ত রক্ষায় শুধু বিজিবি নয়, প্রশাসন ও স্থানীয় জনগণও একযোগে কাজ করছে। সবার সম্মিলিত দেশপ্রেম ও সচেতনতাই সীমান্ত নিরাপত্তার সবচেয়ে বড় শক্তি। যেকোনো ধরনের পুশ-ইন বা অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।”
বর্তমানে হবিগঞ্জ সীমান্ত এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় ৫৫ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থেকে দায়িত্ব পালন করছে।