

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির প্রভাবে বৃদ্ধি পাওয়া তিস্তা নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।
সোমবার (২৯ জুন) সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, তিস্তা নদীর ডালিয়া পয়েন্টে পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ১৩ মিটার, যা বিপদসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার থেকে ২ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যা ৬টায় তিস্তার পানি বিপদসীমার ৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়।
পরে রাতভর পানি ধীরে ধীরে কমে সোমবার সকাল ৬টায় বিপদসীমার সমানে নেমে আসে। সর্বশেষ সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী পানি আরও ২ সেন্টিমিটার কমেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে,তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বেশ কিছু পরিবার এখনও পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। গতকাল থেকে টানা বৃষ্টি ও তিস্তার পানি বৃদ্ধির কারণে অনেক মানুষ ঘর থেকে বের হতে পারেননি।
এতে তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় চরম ভোগান্তি সৃষ্টি হয়। তবে সোমবার সকাল থেকে নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে।
তবে পানি কমতে শুরু করলেও তিস্তা তীরবর্তী অনেক নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে এখনও জলাবদ্ধতা রয়েছে।
অনেক বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট ও ফসলি জমি এখনো পানির নিচে থাকায় পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগ পুরোপুরি কাটেনি। স্থানীয়দের আশা, উজানে নতুন করে পানি না বাড়লে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হয়ে আসবে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী বলেন, উজানের পানির প্রবাহ কমে আসায় তিস্তার পানিও ধীরে ধীরে কমছে। সোমবার সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে পানির সমতল বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার নিচে নেমেছে।
নদীর অতিরিক্ত পানি দ্রুত নামিয়ে দিতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।