

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার সফরে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চকরিয়ার ডুলাহাজারা সাফারি পার্কসংলগ্ন এলাকায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সারাদেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন।
শুক্রবার (১২ জুন) কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভার বাস টার্মিনাল এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর জনসভাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এই প্রথম তারেক রহমান কক্সবাজার সফরে আসছেন। নির্বাচনের আগে তিনি কক্সবাজারে আসতে পারেননি। ফলে জেলার সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ-উচ্ছ্বাস বিরাজ করছে।
তিনি আরও বলেন,কক্সবাজারবাসীর পক্ষ থেকে কোনো ব্যক্তিগত বা স্থানীয় দাবি উত্থাপন করা হবে না। তবে জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরা হবে।
দাবির মধ্যে রয়েছে লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ছয় লেনে উন্নীত করা এবং কক্সবাজারে একটি ব্লু ইকোনমি ও মেরিন সায়েন্স বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ এসব দাবি প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করবেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজারের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
তিনি জানান, দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ‘মাতামুহুরী’ নামে নতুন উপজেলা প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব জাতীয় প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস-সংক্রান্ত নির্বাহী কমিটির (নিকার) সভায় অনুমোদন পেয়েছে। সেখানে একটি থানা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগও নেওয়া হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত পেকুয়া উপজেলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটি পৌরসভা গঠন। সেই দাবিও অনুমোদন পেয়েছে।প্রধানমন্ত্রীর সফরকালে মাতামুহুরী উপজেলা ও থানা প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে।
সফরসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী একটি জনসভায় ভাষণ দেবেন বলেও জানান তিনি।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জনসভায় আমরা আমাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরব। জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী নির্বাচনী ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে, উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে এবং মানুষের জীবনমান আরও উন্নত হবে।