

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যশোরের অভয়নগরে পৃথক অভিযানে ৫৬ বস্তা সরকারি সার উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় সার পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত একটি নসিমন জব্দ করা হয় এবং এর চালক সাবিরুল মোল্যাকে আটক করা হয়েছে।
রোববার (৮ মার্চ) রাত ৯টার দিকে নওয়াপাড়া স্টেশন বাজারের ঢালাই রাস্তা ও যগো বাবুর মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব সার উদ্ধার করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন অভয়নগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিষ কুমার বসু। এ সময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন ও অভয়নগর থানা পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, নওয়াপাড়া পীরবাড়ি ঘাট থেকে দেশ ট্রেডার্সের চারশ বস্তা সার রাজ ট্রান্সপোর্টের একটি ট্রাকে করে যশোর বাফার গোডাউনে নেওয়া হচ্ছিল। পথে নওয়াপাড়া স্টেশন বাজার এলাকায় ট্রাক থেকে ছয় বস্তা ইউরিয়া সার ভ্যানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে গিয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করেন।
এ সময় ট্রাক চালক দাবি করেন, তার গাড়িতে ৪০৬ বস্তা সার রয়েছে এবং অতিরিক্ত ছয় বস্তা তিনি তিন হাজার টাকায় কিনেছেন। পরে আবার বলেন অতিরিক্ত লোড হওয়ার কারণে সার নামানো হয়েছিল। ম্যাজিস্ট্রেটের গাড়ি দেখতে পেয়ে তিনি সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে ওই ছয় বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
একই রাতে যগো বাবুর মোড় এলাকায় একটি নসিমন তল্লাশি করে আরও ৫০ বস্তা ডিএপি সার উদ্ধার করা হয়। নসিমন চালক এসব সারের উৎস সম্পর্কে কোনো সন্তোষজনক তথ্য দিতে না পারায় তাকে আটক করা হয়।
উদ্ধার হওয়া মোট ৫৬ বস্তা সার উপজেলা কৃষি অফিসে নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লাভলী খাতুন বলেন, একটি ট্রাকে ডেলিভারি অর্ডার ছিল ৪০০ বস্তা সারের। কিন্তু সেখানে ৪০৬ বস্তা পাওয়া যায়। ভিডিও প্রমাণে দেখা গেছে, ট্রাক চালক অতিরিক্ত ছয় বস্তা সার অবৈধভাবে সংগ্রহ করেছেন। অন্যদিকে নসিমন থেকে উদ্ধার হওয়া ৫০ বস্তা ডিএপি সারের কোনো অনুমোদিত উৎস পাওয়া যায়নি।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আশিষ কুমার বসু জানান, দুটি অভিযোগের ভিত্তিতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। উদ্ধার হওয়া সারের বৈধ উৎস না থাকায় এগুলো অবৈধভাবে বাজারজাত বা পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন