

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ঘটনার প্রায় ১৮ মাস পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৫৬ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা বৈষম্যবিরোধী মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (৯ মার্চ) হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আব্দুল মান্নান এ আদেশ দেন।
মামলার বাদী বানিয়াচং উপজেলার আমীরখানি গ্রামের ইয়াকুব আলীর ছেলে এবং ছাত্রদল সমর্থক হিসেবে পরিচয় দেওয়া মাহমুদুল হাসান।
তিনি গত ২৬ ফেব্রুয়ারি আদালতে মামলার আবেদন করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, হবিগঞ্জ-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবু জাহির, হবিগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মজিদ খান, হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক বিমানমন্ত্রী মাহবুব আলী এবং হবিগঞ্জ-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সাইদুল হক সুমনসহ মোট ৫৬ জনকে আসামি করা হয়।
এছাড়াও মামলায় বানিয়াচং উপজেলার সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কাসেম চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আতাউর রহমান সেলিমসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার কয়েকজন ব্যক্তি এবং কিশোরগঞ্জ জেলার অষ্টগ্রাম উপজেলার একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছিল।
মামলার আরজিতে বাদী উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ২৪ জুলাই হবিগঞ্জ শহরের আশরাফ জাহান কমপ্লেক্সের সামনে ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে আসামিরা নির্বিচারে গুলি চালায়। এতে তিনি নিজে এবং আরও কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন বলে অভিযোগ করা হয়।
বাদীপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. আঙ্গুর আলীসহ কয়েকজন আইনজীবী। শুনানি শেষে বিচারক আব্দুল মান্নান মামলার আবেদন খারিজের আদেশ দেন।
এ বিষয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান গণমাধ্যমকে জানান, মামলার বিষয়টি তার জানা নেই। তবে তিনি শুনেছেন মামলার বাদী নিজেকে ছাত্রদলের সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। এ বিষয়ে ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য দিলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন বলেন, তিনি বিষয়টি আগে জানতেন না। গণমাধ্যমের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। বিস্তারিত জেনে পরে তিনি আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেবেন বলে জানান।
এদিকে মামলাটি ঘিরে হবিগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। আদালতের এ আদেশের পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
মন্তব্য করুন