

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনের জাতীয় পার্টির একাংশের প্রার্থী ও জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের নির্বাহী চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মুজিবুল হক চুন্নুর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত আপিলেও বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে ইসির আপিল শুনানির ষষ্ঠ দিনের প্রথমার্ধে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত ৩৮১ থেকে ৪৩০ ক্রমিকের মোট ৫০টি আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন মুজিবুল হক চুন্নুসহ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান (একাংশ) আনিসুল ইসলাম মাহমুদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টির মোট আটজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করে।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, দলীয় মনোনয়নপত্রে থাকা স্বাক্ষরের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা মনোনয়নপত্রের স্বাক্ষরের মিল না থাকায় কিশোরগঞ্জ-৩ আসনের প্রার্থী মুজিবুল হক চুন্নু আপিলেও তার প্রার্থিতা ফিরে পাননি।
এর আগে গত ৪ জানুয়ারি কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় ঋণখেলাপি হওয়া এবং মনোনয়নপত্রে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর না থাকাসহ একাধিক ত্রুটির কারণে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আসলাম মোল্লা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।
উল্লেখ্য, মুজিবুল হক চুন্নু জাতীয় পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে দুইবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির মনোনীত ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় পোস্টার সাঁটান। তবে মনোনয়নপত্র ক্রয়, দাখিল ও যাচাই-বাছাইয়ের সময় তিনি সরাসরি উপস্থিত ছিলেন না।
এদিকে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পর থেকে মুজিবুল হক চুন্নু তার নিজ বাড়ি কিংবা নির্বাচনী এলাকা করিমগঞ্জ-তাড়াইল উপজেলায় একবারও আসেননি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। এ সময় করিমগঞ্জে তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের উদ্যোগে ঝাড়ু মিছিলও অনুষ্ঠিত হয়।
মন্তব্য করুন
