

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আশরাফুল আলমকে ঘুসের টাকাসহ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হাতে আটকের ঘটনায় শিক্ষা বিভাগে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে রোববার (১১ জানুয়ারি) যশোরে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন জেলার প্রায় পাঁচ শতাধিক শিক্ষক, শিক্ষা কর্মকর্তা ও কর্মচারী। বিক্ষোভকারীরা এ ঘটনাকে ‘ষড়যন্ত্রমূলক’ আখ্যা দিয়ে দাবি আদায় না হলে জেলার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।
রোববার দুপুরে যশোর সার্কিট হাউজের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রেসক্লাব যশোরের সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নির্দোষ এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তারা আশরাফুল আলমের অবিলম্বে মুক্তি ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।
এদিকে ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের গঠিত তিন সদস্যের উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি মাঠপর্যায়ের কাজ শেষ করেছে। কমিটির প্রধান ও অধিদপ্তরের যুগ্ম সচিব মোস্তাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, আশরাফুল আলমের পক্ষে ও বিপক্ষে প্রায় ৭০০টি আবেদন এবং অভিযোগকারীর বক্তব্য গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন অধিদপ্তরে জমা দেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যশোর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে অভিযান চালিয়ে একজন শিক্ষিকার পেনশনের ফাইল ছাড় করার বিনিময়ে এক লাখ ২০ হাজার টাকা ঘুস গ্রহণের অভিযোগে আশরাফুল আলমকে হাতেনাতে আটক করে দুদক। অভিযোগকারী শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুন্নবীর দাবি, দীর্ঘদিন ঘুরানোর পর ঘুস দিতে বাধ্য হয়ে তিনি দুদকের সহায়তা নেন। অন্যদিকে দুদক জানিয়েছে, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আদালতের আদেশে আশরাফুল আলম বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।
মন্তব্য করুন
