

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৯, গাইবান্ধার-১ (সুন্দরগঞ্জ) সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হয়েছে।
এতে ১০ জন প্রার্থীর মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মাজেদুর রহমানসহ ৫ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
তবে যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষে এ সিদ্ধান্ত দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা-১ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মাজেদুর রহমান একটি এমপিওভুক্ত কলেজে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত থাকায় নির্বাচন সংক্রান্ত আইন অনুযায়ী তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
এছাড়া এই আসনে আরও ৪ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন: জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহফুজুল হক সরদার, স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রমজান আলী ও মোছা. ছালমা আক্তার।
সূত্র আরো জানায়, এক শতাংশ ভোটারের সমর্থনের বিষয়টি তদন্তে সত্যতা না পাওয়ায় জাপা চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার ও মোছা. ছালমা আক্তারের মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. রমজান আলীর হলফনামায় স্বাক্ষর না থাকায় এবং জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. মাহফুজুল হক সরদারের দলীয় মনোনয়নপত্রে ত্রুটি থাকায় তাদের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
এ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আমজনতা দলের মো. কওছর আজম হানু, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) পরমানন্দ দাস এবং এলডিপির মো. শরিফুল ইসলাম।
গাইবান্ধা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, গাইবান্ধা-১ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। যেসব প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়েছে তারা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল করার সুযোগ পাবেন।
মন্তব্য করুন
