শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শুক্রবার
২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

এনপিবি ডেস্ক
প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ১১:৩০ এএম
expand
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত ও কর্তৃত্ববাদী আচরণের প্রতিবাদে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে রাস্তায় নেমেছে বিপুলসংখ্যক মানুষ।

‘নো কিংস’ নামের ব্যানারে আয়োজিত এই দেশব্যাপী প্রতিবাদে অংশ নেয় লাখো বিক্ষোভকারী, যারা গণতন্ত্রকে রক্ষার আহ্বান জানান।

শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো, মায়ামি এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের মতো প্রধান শহরগুলোতে।

টাইমস স্কয়ারে দেখা যায়, হাজার হাজার মানুষ ‘গণতন্ত্র চাই, রাজতন্ত্র নয়’ লেখা প্ল্যাকার্ড বহন করে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করছেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর যুক্তরাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোকে অস্থির করে তুলেছেন।

নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে কংগ্রেস অনুমোদিত বাজেট আটকে দেওয়া, ফেডারেল বিভিন্ন দপ্তর বাতিল করা এবং কিছু অঙ্গরাজ্যের আপত্তি সত্ত্বেও ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েনের মতো সিদ্ধান্তকে তাঁরা ‘গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (NYPD) সূত্রে জানা যায়, শুধু নিউইয়র্কেই বিক্ষোভে অন্তত এক লাখ মানুষ অংশ নিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তারের খবর নেই। পুলিশ জানিয়েছে, আন্দোলনটি শান্তিপূর্ণ ছিল।

এদিকে ট্রাম্পের সমর্থকরা এই আন্দোলনের পেছনে বামপন্থি সংগঠন ‘অ্যান্টিফা’-কে দায়ী করেছেন। তাদের মতে, এ বিক্ষোভ আসলে মার্কিন সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়ানোর ষড়যন্ত্র। ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব বিক্ষোভকে "হেইট আমেরিকা র‍্যালি" বলে অভিহিত করেছেন।

ট্রাম্পের মতে, তাঁর নেয়া পদক্ষেপগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রকে ‘পুনর্গঠনের জন্য জরুরি’। তিনি বলেন, আমাকে একনায়ক বলাটা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার। আমি যা করছি তা দেশের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার।

তবে সমালোচকদের দাবি, কংগ্রেসের অনুমোদন উপেক্ষা করে বাজেট আটকে দেওয়া, ফেডারেল প্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা এবং অঙ্গরাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গিয়ে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান ও ফেডারেল কাঠামোর প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।

বিক্ষোভ সমন্বয়কারী এক কর্মী বলেন, আমরা রাজা চাই না, একজন নির্বাচিত ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব চাই—এটাই আমেরিকার চেতনাকে রক্ষা করার লড়াই।

google news সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন