

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানের সম্ভাব্য নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় তুরস্ক থেকে ফেরার সময় গোপনে সামরিক বিমানে উঠেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ সময় সাংবাদিকদের জানানো হয়েছিল, ট্রাম্প এয়ার ফোর্স ওয়ানেই যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তবে বাস্তবে তিনি অন্য একটি ছোট সামরিক বিমানে করে তুরস্ক ছাড়েন।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের তথ্যের বরাত দিয়ে এসব জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ন্যাটোর সম্মেলনে অংশ নিতে ট্রাম্প কাতার থেকে উপহার পাওয়া নতুন বিমান ব্যবহার করে আঙ্কারায় গিয়েছিলেন। কিন্তু ফেরার সময় নিরাপত্তার কারণে তিনি পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের বদলে সি-৩২এ মডেলের একটি ছোট সামরিক বিমানে ওঠেন।
তুরস্কের সঙ্গে ইরানের সীমান্ত রয়েছে। একই সময়ে ওই অঞ্চলে সংঘাত ও উত্তেজনা বাড়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ট্রাম্পের ফ্লাইট পরিবর্তনের বিষয়টি ছিল বেশ গোপনীয়। ক্যামেরার সামনে তাকে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠতে দেখা গেলেও পরে একটি খাবার সরবরাহকারী ক্যাটারিং ট্রাকের মাধ্যমে তাকে সি-৩২এ বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক বিমানটি রাত ১০টা ২০ মিনিটে যুক্তরাজ্যে পৌঁছে যায়। এর কিছুক্ষণ পর সাংবাদিক ও কর্মীদের বহনকারী পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান সেখানে অবতরণ করে।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, পুরোনো বিমানে ভ্রমণ করার পেছনে তাঁর ব্যক্তিগত স্মৃতির বিষয়টি কাজ করেছে। একই সঙ্গে নতুন বিমানটি মার্কিন সেনাসদস্যদের দেখানোর জন্য যুক্তরাজ্যে থামানো হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
তবে ট্রাম্পের গোপন ফ্লাইট পরিবর্তনের বিষয়ে হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভ চ্যাউং বলেন, প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের শত্রুরা প্রেসিডেন্টের ওপর নজর রাখে—এমন বাস্তবতার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, তাঁর নিরাপত্তায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগন।

