

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সিনেট প্রাইমারিতে জয় পেয়েছেন প্রগতিশীল নেতা ও চিকিৎসক আবদুল এল-সায়েদ। তিনি ইসরায়েলপন্থি সংগঠন এআইপ্যাক-সমর্থিত কংগ্রেসওম্যান হ্যালি স্টিভেন্সকে পরাজিত করেছেন।
প্রায় ৯২ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট গণনা শেষে এল-সায়েদ পেয়েছেন ৪৮ দশমিক ৭ শতাংশ ভোট, আর স্টিভেন্স পেয়েছেন ৪৭ দশমিক ৩ শতাংশ।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও আলোচিত প্রাইমারিগুলোর একটি ছিল এই নির্বাচন। প্রচারণায় ৬ কোটি ডলারেরও বেশি ব্যয় হয়, যার মধ্যে স্টিভেন্সের পক্ষে ৩ কোটি ডলারের বেশি খরচ করে ইসরায়েলপন্থি লবিং সংগঠন আমেরিকান ইসরায়েল পাবলিক অ্যাফেয়ার্স কমিটি (এআইপ্যাক)।
৪১ বছর বয়সী এল-সায়েদ এখন নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের সাবেক কংগ্রেসম্যান মাইক রজার্সের মুখোমুখি হবেন। এই আসনের ফলাফল ট্রাম্পের মেয়াদের শেষ দুই বছরে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
নির্বাচনী প্রচারণায় এল-সায়েদ অভিযোগ করেন, এআইপ্যাক ও সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক সংগঠনগুলো বিপুল অর্থ ব্যয় করে নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। তবে হ্যালি স্টিভেন্স এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন।
এল-সায়েদ গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ‘গণহত্যা’ সংঘটিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইসরায়েলকে দেওয়া সামরিক সহায়তার অর্থ স্বাস্থ্যসেবা, সাশ্রয়ী আবাসন, শিক্ষা ও অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যয়ের পক্ষে অবস্থান নেন।
তার এ অবস্থান গাজা যুদ্ধের বিরোধিতাকারী প্রগতিশীল ডেমোক্র্যাট ও আরব-আমেরিকান ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক সমর্থন পায়।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই