

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানের বিরুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের জন্য সব ধরনের বাণিজ্য ও আর্থিক লেনদেন বন্ধ ঘোষণা করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। ইরানের বিরুদ্ধে আরব আমিরাতে দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের অভিযোগ এনে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। তবে ইরান এ অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে ‘সাজানো হামলা’ বলে অভিহিত করেছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইউএইর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, সাম্প্রতিক উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে সব বাণিজ্য, বাণিজ্যিক বিনিময় ও আর্থিক লেনদেন বন্ধ থাকবে।’
এর আগে ইউএইর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরান থেকে নিক্ষেপ করা দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করে। এর একটি দেশটির জলসীমার বাইরে এবং অন্যটি জলসীমার ভেতরে গিয়ে পড়ে।
পরে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সমুদ্রপথে চলাচলকারী জাহাজকে লক্ষ্য করে ছোড়া হয়েছিল। আঞ্চলিক সমুদ্রপথ ও দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা ‘দৃঢ়ভাবে প্রতিহত’ করার হুঁশিয়ারিও দেয় তারা।
তবে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই অভিযোগটিকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ঘটনাটিকে ‘ফলস ফ্ল্যাগ অপারেশন’ হিসেবে দেখার ইঙ্গিত দেন তিনি।
বাঘাই বলেন, ইউএইর এই দাবি ‘সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের নীতির পরিপন্থী’। তেহরানের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ থেকে আঞ্চলিক দেশগুলোকে বিরত থাকার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে পরিস্থিতি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘ক্ষতিকর কর্মকাণ্ডও’ বিবেচনায় নেওয়ার কথা বলেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রথম ছয় সপ্তাহে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ইউএইকেই সবচেয়ে বেশি লক্ষ্যবস্তু করেছিল ইরান। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ইরান ৫৩০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, কয়েক ডজন ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ২০০টির বেশি ড্রোন নিক্ষেপ করেছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মে মাসের পর ইউএইকে লক্ষ্য করে এটিই প্রথম হামলার অভিযোগ।


