

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপে উপসাগরীয় দেশগুলোকে একজোট করার চেষ্টা করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)। তবে সৌদি আরব, কাতারসহ প্রতিবেশী দেশগুলো এতে সাড়া না দেওয়ায় সেই উদ্যোগ সফল হয়নি বলে জানিয়েছে ইসরায়েলভিত্তিক সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্ট।
প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পরপরই ইউএই প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানসহ কয়েকজন নেতার সঙ্গে ফোনালাপে তিনি ইরানের সম্ভাব্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মোকাবিলায় সমন্বিত সামরিক অবস্থানের প্রস্তাব দেন।
সূত্রগুলোর দাবি, ইউএই মনে করছিল ইরানের হুমকি মোকাবিলায় উপসাগরীয় দেশগুলোর যৌথ প্রতিক্রিয়া প্রয়োজন। তবে সৌদি আরব ও কাতার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, তারা এই সংঘাতে জড়াতে চায় না। এতে ইউএইর সঙ্গে কয়েকটি প্রতিবেশী দেশের বিদ্যমান মতপার্থক্য আরও প্রকট হয়।
জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ট্রাম্প প্রশাসনও এ বিষয়ে অবগত ছিল এবং তারা সৌদি আরব ও কাতারকে ওই উদ্যোগে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করেছিল।
এদিকে সমর্থন না পেলেও ইউএই সীমিত আকারে ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় অংশ নেয় বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। যুদ্ধ চলাকালে ইরান সবচেয়ে বেশি হামলা চালায় ইউএইর দিকেই। প্রায় তিন হাজার ড্রোন ও শত শত ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চে সৌদি আরব এককভাবে ইরানে হামলা চালালেও পরে তারা কূটনৈতিক অবস্থান নেয় এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতায় পাকিস্তানের প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে।
অন্যদিকে কাতারও ইরানের হামলার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ার বিষয়টি বিবেচনা করেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দেশটি উত্তেজনা না বাড়িয়ে কূটনৈতিক সমাধানের পথেই থাকে। একই অবস্থান নেয় বাহরাইন, কুয়েত ও ওমানও।
