

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


এবার হজ মৌসুম উপলক্ষে সৌদি আরবের পরিবহন ও লজিস্টিক খাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আগত লাখো হাজির নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে আকাশ, স্থল, রেল ও সমুদ্রপথ—সব খাতেই সমন্বিত ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে।
পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাজিদের যাত্রা সহজ ও নিরাপদ করতে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
হাজিদের জন্য ৩১ লাখের বেশি আসন বরাদ্দ করা হয়েছে। এ জন্য ১২ হাজারেরও বেশি নিয়মিত ও বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। ছয়টি প্রধান বিমানবন্দরকে হজ ফ্লাইট গ্রহণের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে ২২ হাজারের বেশি কর্মী দায়িত্ব পালন করবেন।
নতুন উদ্যোগ হিসেবে চালু করা হয়েছে এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হাজিদের লাগেজ সরাসরি তাদের আবাসন থেকে পাঠানো যাবে। পাশাপাশি জমজমের পানি আগাম পাঠানোর ব্যবস্থাও বাড়ানো হয়েছে।
মিনা, মুজদালিফা ও আরাফাতের মধ্যে যাতায়াতের জন্য দুই হাজারের বেশি ট্রেন চলবে, যা ২০ লাখের বেশি যাত্রী পরিবহন করতে পারবে।
মক্কা ও মদিনার মধ্যে উচ্চগতির ট্রেন সেবা চালু থাকবে, যেখানে ৫ হাজারের বেশি যাত্রা পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে এবং এতে ২২ লাখের বেশি আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
সড়কপথেও ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বিপুল পরিমাণ বালুর স্তূপ অপসারণ, হাজার হাজার বাতি মেরামত এবং প্রয়োজনীয় সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে নিরাপদ চলাচলের জন্য।
হাজিদের যাতায়াতে ৩৩ হাজারের বেশি বাস ও ৫ হাজার ট্যাক্সি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানো হয়েছে।
ডাক ও পণ্য পরিবহন সেবায় ট্রাক, ছোট যানবাহন, এমনকি বৈদ্যুতিক স্কুটার ও মোটরসাইকেল ব্যবহার করা হবে, বিশেষ করে ব্যস্ত এলাকা ও হাসপাতালগুলোতে দ্রুত সেবা দেওয়ার জন্য।
জেদ্দা বন্দরেও হাজিদের গ্রহণের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ২৪ ঘণ্টা প্রস্তুত থাকবে উদ্ধার ও সাড়া দেওয়া দলগুলো, যাতে যেকোনো দুর্ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।
মন্তব্য করুন
