

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন এক প্রস্তাব ঘিরে গাজা যুদ্ধে স্থায়ী বা তাত্ক্ষণিক cessation of hostilities চাহিদা জোরদার হওয়ার প্রেক্ষিতে তেল আবিবের রাস্তায় নেমে এসেছে হাজার হাজার ইসরায়েলি নাগরিক।
শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতের বিক্ষোভে তারা যুদ্ধবিরতি কার্যকর করে বাকি বন্দীদের দেশে ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
বিক্ষোভকারীরা বড় বড় ব্যানারে ইংরেজি স্লোগান—‘এখন নয়তো কখনোই না’ কিংবা অনুরূপ কথাযুক্ত পোষ্টার উঁচিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে রাজপথে আক্রমণাত্মক কার্যক্রম স্থগিত ও জিম্মিদের মুক্তির দাবি তুলেন। টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই ব্যানারের ছবিও পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—যার সঙ্গে জোরালোভাবে সুর মিলেছে রাস্তায় নেমে থাকা জনতার।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, শুক্রবার ট্রাম্প তার সোশ্যাল পোস্টে ইসরায়েলকে গাজায় বোমা হামলা বন্ধ করার আহ্বান জানান। এরপর ইসরায়েল প্রধান মন্ত্রীর নির্দেশে সেনাবাহিনী আক্রমণাত্মক অভিযান স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় এবং চুক্তির খসড়া বিষয় নিয়ে কায়রোতে আলোচনার জন্য একটি প্রতিনিধি দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
বিক্ষোভের আগে বন্দি ও নিখোঁজদের পরিবারের সংগঠন একটি যৌথ বিবৃতিতে জানিয়েছে, তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ও জিম্মি মুক্তির প্রস্তাবের দৃঢ় সমর্থক। বিবৃতিতে বলা হয়, “সমস্ত জিম্মিকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং যুদ্ধ শেষ করার লক্ষ্যে ট্রাম্পের যে পদক্ষেপ এসেছে, আমরা তা সমর্থন করছি।”
রাস্তায় যোগ দেয়া একজন প্রবীণ প্রতিবাদকারী বলেন, “যদি উভয় পক্ষই সত্যিই ট্রাম্পের শর্ত মেনে নেয়, তাহলে এখনই যুদ্ধবিরতি আর জিম্মিদের মুক্তির সময়।” তিনি আরও যোগ করেন, “অনেকদিন ধরে আমরা ভেবেছিলাম জিম্মিদের ফিরিয়ে আনা আর যুদ্ধ শেষ করা অসম্ভব — কিন্তু এখন হয়তো অসম্ভবকে সম্ভব করার সময় এসেছে। ”
বিক্ষোভের আড়ালে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক মহলে ওই প্রস্তাব বাস্তবায়ন ও কথাবার্তার সূচনা নিয়ে চলছে তৎপর আলোচনা; একই সঙ্গে রাস্তায় মানুষের ভিড় এই মুহূর্তে সমঝোতার দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি হিসেবে দেখা যাচ্ছে।
মন্তব্য করুন
