

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সামরিক টানাপোড়েন বাড়তে থাকায় মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে ব্যাপক অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। এর প্রভাবে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটছে বলে জানিয়েছে বিভিন্ন গণমাধ্যম।
সংঘাতের আশঙ্কায় এয়ার ফ্রান্স, জার্মানির লুফথানসা ও নেদারল্যান্ডসের কেএলএমসহ বেশ কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন্স মধ্যপ্রাচ্যগামী ফ্লাইট সাময়িকভাবে বন্ধ করে বিকল্প রুট ব্যবহার করছে।
ইরান ও ইরাকের আকাশসীমা বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠায় তেল আবিব, দুবাই ও রিয়াদের মতো ব্যস্ত গন্তব্যগুলো আন্তর্জাতিক ফ্লাইট নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্ভাব্য মিসাইল ও ড্রোন হামলার ঝুঁকির কথা বিবেচনায় নিয়ে এভিয়েশন সংস্থাগুলো ওই অঞ্চলে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতির অবনতি ঘটে মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কড়া বার্তা এবং মধ্যপ্রাচ্যের দিকে মার্কিন নৌবাহিনীর বড় বহর পাঠানোর ঘোষণার পর। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ একাধিক আধুনিক মিসাইল ডেস্ট্রয়ার পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় এগোচ্ছে। যদিও ওয়াশিংটন এটিকে প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে, তবে এতে দুই দেশের মধ্যে সরাসরি সংঘাতের ঝুঁকি বেড়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।
নিরাপত্তা বিবেচনায় এয়ার ফ্রান্স আপাতত দুবাই রুটে তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে এবং পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে। কেএলএম জানিয়েছে, তারা তেল আবিব, দুবাই ও রিয়াদে যাতায়াত স্থগিত করেছে এবং ইরান-ইরাকের আকাশপথ পুরোপুরি এড়িয়ে চলছে।
এদিকে লুফথানসা গ্রুপ ইসরায়েলে সীমিত সময়ের মধ্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে এবং ইরানের আকাশসীমা ব্যবহার বন্ধ রেখেছে। উত্তর আমেরিকার ইউনাইটেড এয়ারলাইন্স ও এয়ার কানাডাও ঝুঁকি এড়াতে তেল আবিবগামী ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।
মন্তব্য করুন

