

সম্পাদকঃ মোঃ আল হাদী
৪১৬ তোপখানা রোড, শিশু কল্যাণ পরিষদ, ঢাকা, বাংলাদেশ
টেলিফোনঃ +৮৮(০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ফেক্সঃ ৫৮৩১২৯৮১[email protected]


পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতা হারানোর পর থেকেই ভাঙনের মুখে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। একের পর এক শীর্ষ নেতার দলত্যাগে দীর্ঘদিন রাজ্যের ক্ষমতায় থাকা দলটি ক্রমেই চাপে পড়ছে।
ঋতব্রত, সন্দীপন, ফিরহাদ হাকিম ও জাভেদ খানের পর এবার দলীয় রাজ্য সভাপতিসহ সব সাংগঠনিক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলীয় সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব দিয়েছিলেন।
কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম নিউজবাংলা আঠেরোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো এক চিঠিতে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য দলের সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, গত ৩ জুন যে পদে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেখান থেকে তিনি অব্যাহতি নিচ্ছেন। পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেস ও এর বিভিন্ন শাখা সংগঠনের ব্যাংক হিসাবের সিগনেটরি হিসেবে থাকা দায়িত্ব থেকেও অব্যাহতি চেয়েছেন।
তবে পদত্যাগের পেছনে কোনো কারণ উল্লেখ করেননি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। চিঠিতে তিনি কেবল কোন কোন দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন, সে বিষয়টিই তুলে ধরেছেন।
চন্দ্রিমা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠিতে চেয়ারপারসন হিসেবেও উল্লেখ করেননি একদার মমতার অন্যতম বিশ্বস্ত সঙ্গী৷ ইতিমধ্যেই তৃণমূলের নব্য গোষ্ঠী—অর্থাৎ ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন চন্দ্রিমার পুত্র সৌরভ বসু। এবার কী মমতাকে ছেড়ে বিদ্রোহী পন্থী তৃণমূলের দলে ভিড়বেন কি না; তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে কিছুটা।
সৌরভের কালীঘাটপন্থী তৃণমূল ছেড়ে নব্য তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই এই সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছিল। এবার চন্দ্রিমার ইস্তফার পর ফের সেই প্রশ্ন আবার উঠেছে।
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের দখল নিয়েছে ঋতপন্থী নব্য তৃণমূল। বাইপাসের ধারের অফিস হাতছাড়া হলো কালীঘাট তৃণমূলের। তৃণমূল ভবনের কার্যালয়ে নতুন ব্যানার বসেছে, যেখানে চেয়ারপারসন হিসেবে রয়েছে অরূপ রায়ের নাম, নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম, ছবিও।

